রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ মাদরাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান আজহারীর

গাজাকে একা ছেড়ে যাব না, যা প্রয়োজন করব: এরদোয়ান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজাবাসীর পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, তুরস্ক গাজাকে একা ছেড়ে যেতে পারে না এবং সেখানকার মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে প্রস্তুত আঙ্কারা।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি গাজা, সিরিয়া ও লেবাননের চলমান সংকটসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।

গাজা প্রসঙ্গে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তুরস্ক গাজাকে একা ছেড়ে যেতে পারে না।’ গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।

এরদোয়ান বলেন, হামাস তার প্রতিশ্রুতিগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করছে। অন্যদিকে ইসরায়েল এখনো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে তুরস্ক তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে একা ছেড়ে দেবে না। গাজার পাশাপাশি সিরিয়া ও লেবাননের পরিস্থিতিও তুরস্ক গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঙ্কারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়ে দেশটি সফরের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। সিরিয়ার কুর্দিরাও শান্তি ও স্থিতিশীলতার অংশীদার হবে বলে মন্তব্য করেন এরদোয়ান।

লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলাকেও তুরস্কের জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুরস্ক সফরের সময় লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তিনি তুলে ধরেছেন বলেও জানান।

সাক্ষাৎকারে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি জানান, ভবিষ্যতে এ চুক্তিতে আরও দেশ যুক্ত হতে পারে এবং মিসরের অংশগ্রহণও সম্ভাব্য একটি বিকল্প।

গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করে সমন্বিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা বলা হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে কাতারের মধ্যস্থতারও প্রশংসা করেন এরদোয়ান। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া আঙ্কারার অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

এদিকে গাজা ইস্যুতে এরদোয়ানের সর্বশেষ মন্তব্যকে তুরস্কের দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলমান সংঘাতের মধ্যেও গাজার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: আল জাজিরা

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ