রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কেন ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফ, কালো গিলাফের আড়ালে হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রাতে ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির আজ সংসদ খুব কালারফুল দেখাচ্ছে: স্পিকার খুতবার মাঝেই ফটোগ্রাফারদের সতর্ক করলেন মসজিদে নববির ইমাম মুরাদনগরে কওমি তরুণ ওলামা পরিষদের মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত গহরপুরী রহ. সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, এমপি এম এ মালেককে আলটিমেটাম রামিসা হত্যা মামলার রায়ের পর যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্ডিয়ায় মুসলমানদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কী? রামিসা হত্যাকাণ্ড: ফাঁসির রায়ের পাশাপাশি ৭ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য

খুতবার মাঝেই ফটোগ্রাফারদের সতর্ক করলেন মসজিদে নববির ইমাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মদিনার পবিত্র মসজিদে নববিতে জুমার খুতবার সময় এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ইমাম ড. সালাহ আল-বুদাইর। শুক্রবার (৫ জুন) জুমার খুতবা চলাকালে তিনি হঠাৎ বক্তব্য থামিয়ে উপস্থিত ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাহকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দেন, যাতে ছবি ও ভিডিও ধারণের কারণে মুসল্লিদের ইবাদতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে মুসলিম সমাজে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জুমার খুতবা চলাকালে একপর্যায়ে ড. সালাহ আল-বুদাইর সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়ে চিত্রগ্রহণে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, মসজিদে নববির মতো পবিত্র স্থানে দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছবি বা ভিডিও ধারণ এমনভাবে করতে হবে, যাতে মুসল্লিদের মনোযোগ নষ্ট না হয় এবং ইবাদতের পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়।

খুতবার ওই অংশের ভিডিও দ্রুত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ইমামের বক্তব্যকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় বার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই ইবাদতের পরিবেশ ও পবিত্রতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হারামাইন শরিফাইনসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী স্থানে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা ও ভিডিও ধারণের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ওমরাহ ও হজ পালনকারী কিংবা জিয়ারতকারীরা স্মৃতি সংরক্ষণ এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে থাকেন। ডিজিটাল যুগে এটি অনেকের কাছে স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে উদ্বেগও রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদ ও পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অতিরিক্ত ছবি ও ভিডিও ধারণ কখনো কখনো ইবাদতের একাগ্রতা ও আধ্যাত্মিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষ করে নামাজ, দোয়া, তাওয়াফ বা অন্যান্য ইবাদতের সময় ক্যামেরাকেন্দ্রিক আচরণ ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য থেকে মনোযোগ সরিয়ে দিতে পারে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ