রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদযাত্রায় সড়ক-রেল ও নৌপথে নিহত ৪৩৮, আহত ১৩৪০ পশ্চিমবঙ্গে সব মাদরাসায় চলছে জরিপ, দিতে হচ্ছে ৮ প্রশ্নের জবাব ‘সোহেলকে বটগাছে ঝুলিয়ে পাথর মেরে হত্যা করা হোক’ হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের কঠোর সমালোচনা ‘তেলাপোকা’ পার্টি প্রধানের নামাজে গিয়ে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফ! বাজেট নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের গোলটেবিল বৈঠক সোমবার আমি গর্বিত, আমি তাঁর শাগরিদ মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ ১৮০০ পৃষ্ঠার ‘ইসলামিক ইন্টেলেকচুয়াল কনসেনসাস এনসাইক্লোপিডিয়া’ প্রকাশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের উপর গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ

হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের কঠোর সমালোচনা ‘তেলাপোকা’ পার্টি প্রধানের


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতে শিক্ষাক্ষেত্রে কথিত অনিয়ম, নিয়োগ সংকট ও বেকারত্বের ইস্যুতে সরব হয়ে হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি দেশের সাধারণ মানুষের কী উপকার করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার (৬ জুন০ দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষকে হিন্দু-মুসলিম বিতর্কে ব্যস্ত রাখা হয়েছে। কিন্তু এই রাজনীতি বেকার যুবকদের চাকরি দিতে পারেনি, শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট দূর করতে পারেনি এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক সমস্যারও সমাধান করতে পারেনি।

তিনি বলেন, গত ১০-১২ বছর ধরে আমাদের হিন্দু-মুসলিম রাজনীতির মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে। এতে লাভটা কার হয়েছে? হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি কি দেশের কোনো যুবককে চাকরি দিয়েছে?

অভিজিৎ দিপকের অভিযোগ, জনগণের বাস্তব সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করার পরিবর্তে সরকার সমালোচনাকারীদের কণ্ঠ রোধে বেশি আগ্রহী। তিনি দাবি করেন, তাদের সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতির ওপর নজরদারি করা হচ্ছে, অথচ চাকরি ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।

সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান ও সরকারের সমালোচনার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় তার মা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিলেন।

‘আমার মা সবসময় ভয় পেতেন, এই সরকার হয়তো আমাকে জেলে পাঠিয়ে দেবে। আজকের ভারতে যখন কোনো তরুণ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে, তখন শুধু সে নয়, তার পরিবারও আতঙ্কের মধ্যে থাকে,’ বলেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি সরকারের প্রতি সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আর কতদিন মানুষ ভয় নিয়ে বাঁচবে? আর কতদিন প্রকৃত সমস্যা আড়াল করতে সমাজকে ধর্মীয় বিভাজনের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে?’ সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ