রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

লিবিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৫৩০০ ছাড়াল, নিখোঁজ ১০ হাজার


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

লিবিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ডেনিয়েলের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় প্রাণহানি ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। নিখোঁজ অন্তত ১০ হাজার। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপকূলীয় দুটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় তলিয়ে গেছে অনেক এলাকা। এসব এলাকায় বন্যার তীব্রতা এখনো বাড়ছে। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 


ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির লিবিয়া প্রতিনিধি তামের রামাদান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেন, অন্তত ১০ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। এ সময় তিনি বন্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা না জানালেও বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।’ 


লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, আনুমানিক ৫ হাজার ৩০০ লোক প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৪৫ জন মিসরীয় নাগরিক বলে জানিয়েছে লিবিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর তবরুকের কর্তৃপক্ষ। 
 
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওসমান আব্দুলজলিল দেশটির আলমাসার টিভিকে বলেছেন, পরিস্থিতি ভয়াবহ ‘বিপর্যয়কর’। পূর্বাঞ্চলীয় শহর দেরনা সফরকালে তিনি জানান, বিধ্বস্ত এই শহরের অন্তত ৬ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো শহরটি স্রেফ পানির তোড়ে ভেসে গেছে। 

ঘূর্ণিঝড় ডেনিয়েলের কারণে লিবিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলের অধিকাংশ শহরই বিধ্বস্ত হয়েছে। শহররক্ষা বাঁধ, রাস্তাঘাট, বাড়িঘরসহ অধিকাংশ স্থাপনাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় শহর দেরনা। শহরটিতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব এতটাই বেশি ছিল যে, ঘূর্ণিঝড় শেষ হওয়ার পরপরই সেখানকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুমান করা সম্ভব হয়নি। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দেশটির বেনগাজি, সোসি, আল-বায়দা, আল-মারজ ও দেরনা শহরে ঘূর্ণিঝড় ডেনিয়েলের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যায় তলিয়ে যাওয়া গাড়ির ছাদে অনেক মানুষ আটকা পড়েছে। সোমবার টেলিফোনে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেরনা শহরের বাসিন্দা আহমেদ মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, ঘুম ভাঙার পর দেখতে পাই বাড়িতে পানি। আমরা ঘরের ভেতরে রয়েছি এবং বের হওয়ার চেষ্টা করছি।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ