নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা নিজ দলীয় প্রতীক হাতপাখা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তারা নিজ প্রতীকে ভোটে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে পাঁচ আসনেই নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা। যাচাই-বাছাই করে চারজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাকি একজন আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
তফসিল ঘোষণার আগেই কয়েকটি দাবিতে একত্রে রাজপথে ছিল জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসসহ আটটি ইসলামী দল। তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সঙ্গে নিয়ে ১১ দলীয় জোট গঠন করা হয়। যদিও দলগুলো এটিকে রাজনৈতিক জোট নয় বরং সমঝোতা বলে উল্লেখ করছিলেন। তবে, বিপত্তি বাঁধে আসন সমঝোতা নিয়ে।
গত কয়েক দিন ধরেই আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে টানাপড়েনের পর শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলন করে জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসলামী আন্দোলন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই আসন বণ্টনের তথ্য তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। সেখানে এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ জোটের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হলেন, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মো. ইমদাদুল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে গোলাম মসীহ্, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি ইসমাইল কাউসার ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মুফতি মাছুম বিল্লাহ। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় বিধি-নিষেধ থাকলেও দলটির প্রার্থীরা নিজ নিজ আসনে নানা তৎপরতার মধ্য দিয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয়তা বজায় রেখেছেন।
দলটির নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ বলেন, ইসলামী আন্দোলন আগেও এককভাবে নির্বাচন করেছে। প্রার্থীদেরও ভোটের মাঠের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমনকি আরও অনেক দলের চেয়ে ভোটের মাঠে ইসলামী আন্দোলনের সফলতা বেশি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এ জেলায় প্রতিটি আসনে প্রার্থীরা প্রস্তুত আছে।
কয়েকদিনের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর ‘হাতপাখা’র প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামবেন বলেও জানান দলটির এ নেতা। যিনি নিজেও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ‘হাতপাখা’র প্রার্থী।
আরএইচ/