|| মাসউদুল কাদির ||
প্রথমত ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ। তারা ভুল করে একটি সত্যকে সামনে এনেছেন। বাংলাদেশের জন্ম ৫০ বছরের উপরে চলল। এখনো কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার কোনো মান নেই। নামের কোনো মানের আদৌ প্রয়োজন আছে কি না তা ভাবনীয়। সনদ কার্যকারিতার সময় ফুরিয়ে যায়নি। কওমি মাদরাসা শিক্ষা সিলেবাসের ফাঁক-ফোকর দিয়ে আলিয়া কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে অনেকে ব্যক্তিজীবনকে রাঙিয়েছেন। আশার আলো তৈরি করেছেন। লেখালেখি, সাংবাদিকতা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা, উপস্থাপনাসহ নান্দনিক অনেক কাজে নিজেদের যুক্ত করেছেন। সক্ষমতার সঙ্গে কাজের সাক্ষর রেখেছেন। কওমি সনদের কার্যকারিতা নেই বলে আদতে কেউ থেমে থাকেনি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলে যাচ্ছেন মেধাবীরা। হ্যাঁ, আপনি কার্যকর সনদের কথা বলছেন, তা খুবই জরুরি। কওমি শিক্ষা সিলেবাস এতই ঠুনকো নয় যে, কেবল সনদ কার্যকারিতার কারণে তা বাধাগ্রস্ত হবে!
সনদ একটি সম্মান, অধিকার, পরিবারের জন্য পরম পাওয়া একটি বিষয়। রাষ্ট্রের এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অধিকার কারো নেই।
রাষ্ট্রের অন্য দশটা সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা সহিহ নà¦