সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের মারধর ও মানসিক নির্যাতন নিষিদ্ধ করল বেফাক আল-আযহারের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন চবির দুই অধ্যাপক শাহাদত বার্ষিকীতে পাকিস্তানের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সামিউল হককে স্মরণ সময়মতো টাকা জমা না দিলে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল: হাব নারী শিক্ষা প্রশ্নে তালেবানের নীতিকে সমর্থন ডা. জাকির নায়েকের আল-ইবরাহিমি মসজিদ: দুই সহস্র বছরের ইতিহাস, স্থাপত্য ও দখলের ক্ষত এক বছর পর খুলে দেওয়া হলো খিলগাঁও কবরস্থান মসজিদ পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিন: খেলাফত মজলিস পবিত্র কাবার ভেতরে নামাজ আদায় করলেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে স্বাগত, আমাদের শায়খুল ইসলাম!

নারী শিক্ষা প্রশ্নে তালেবানের নীতিকে সমর্থন ডা. জাকির নায়েকের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আফগানিস্তানে মেয়েদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বন্ধ রাখার বিষয়ে তালেবান সরকারের অবস্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা ভারতীয় ইসলামিক স্কলার ডা. জাকির নায়েক।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে জাকির নায়েক বলেন, আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সব তথ্য সঠিক নয়। উপযুক্ত শিক্ষক পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রাখলে কোনো সমস্যা নেই।

তালেবান সরকারের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কেবল মেয়েদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। আফগানিস্তানে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষা চালু রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জাকির নায়েকের দাবি, নিরাপদ পরিবেশের অভাব এবং নারী শিক্ষকের সংকটের কারণে উচ্চশিক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে দেশটির নারীরা ইসলামি শিক্ষা ও শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করছেন।

এদিকে জাকির নায়েকের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইয়ের বাবা। তিনি এ বক্তব্যকে ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও হতাশাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে পরিচিত একজন ইসলামি চিন্তাবিদ ডা. জাকির নায়েককে তালেবানের মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করার নীতির পক্ষে যুক্তি দিতে দেখা গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

তিনি আরও বলেন, অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞাকে সাময়িক স্থগিতাদেশ হিসেবে উপস্থাপন করা এবং নারী শিক্ষকের সংকটের কথা বলে সেই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যুক্তি দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে এই সংকট কীভাবে দূর করা হবে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না থাকলে এমন যুক্তি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না।

মালালার বাবা সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য নারীদের ওপর তালেবানের পদ্ধতিগত নিপীড়নকে বৈধতা দেয়। এটি গুরুতর অবিচার।

সূত্র: এনডিটিভি

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ