শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলন চলে গেলেও ভোটের মাঠে তেমন প্রভাব পড়বে না’ গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা জনগণের প্রত্যাশিত শক্তিশালী গণতন্ত্রকে ফেরাবই : সালাহউদ্দিন আহমেদ টিকে গেলেন হাসনাত, বাদ পড়লেন ধানের শীষের প্রার্থী ভালো নির্বাচন না হলে ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে: দুদু নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ফেনী জামিয়া ইসলামিয়ায় ৫ দিনব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা বেফাকের ৪৯তম পরীক্ষা শুরু, মোট শিক্ষার্থী তিন লাখ ৭৩ হাজার

জন্মদানের ৮ দিনের মাথায় মায়ের মৃত্যু, খবর শুনে মারা গেলেন বাবাও

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পটুয়াখালিতে সন্তান জন্মের ৮ দিন পর মারা যান মা কলি বেগম (২০)। এর কিছুক্ষণ পর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে মারা যান স্বামী গোলাম মোস্তফাও (২৭)। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ বছর আগে মোস্তফা আকনের সাথে শহরের টাউন কালিকাপুর এলাকার মকবুল হোসেনের মেয়ে কলির বিয়ে হয়। মোস্তফা শহরের ফজিলাতুননেছা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে খন্ডকালীন ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে আসছিলেন।

কলি বেগম চলতি মাসের ৬ তারিখ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সন্তান প্রসবের জন্য শহরের মায়ো ক্লিনিকে ভর্তি হয়। ওই দিনই অস্ত্রপচারের মাধ্যমে পুত্র সন্তান প্রসব করেন কলি। পরে সুস্থ হয়ে ১১ জানুয়ারি ক্লিনিক থেকে বাসায় যান। পরিবার সূত্র আরও জানায়, বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে কলি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক কলির স্বামী মোস্তফা সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে স্ত্রীকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চিকিৎসক তাৎক্ষণিক কলিকে ভর্তি করেন এবং চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসকের কথায় ওষুধ কিনতে হাসপাতালের সামনে যান মোস্তফা। এসময় মোবাইলে স্ত্রী কলির মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানেই ঢলে পড়েন মোস্তফা। লোকজন তাকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মাজাহারুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলজে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মৃত কলি বেগম বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার ৮ থেকে ১০ মিনিট পর তিনি মারা যান। মৃতদের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বাদ আসর বাদুরা গ্রামে নিজ বাড়িতে তাদের দাফন করা হবে। স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাদের একমাত্র নবজাতক সন্তানকে নিয়ে দুই পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে বাঁশবাড়িয়া গ্রাম।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ