আওয়ার ইসলাম: বেলারুশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো।
তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে এক নাগাড়ে ক্ষমতায় আছেন। তবে এবার তাকে হটাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছেন বিরোধী সমর্থকরা। তাদের অভিযোগ ভোটচুরির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন তিনি।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যত সময় যাচ্ছে বিক্ষোভ তত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে। গতকাল রোববার কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে। তাদের পরিষ্কার দাবি, নতুন নির্বাচন দিতে হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ৩ দশকে এটাই বেলারুশের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। প্রধান বিরোধী দলের নেত্রী সভেতলানা তিখানোভস্কায়া লিথুনিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। সেখান থেকেই তিনি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।
সভেতলানা তিখানোভস্কায়া নিরাপত্তাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনারা বিক্ষোভকারীদের বাধা দেবেন না। তাদেরকে বরং সহায়তা করুন, কারণ তারা নিজেদের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমেছে। একইসঙ্গে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হওয়া সরকারকে লক্ষ্য করে তিনি বলেছেন, তারা যদি সরে দাঁড়ায় তাহলে তাদের অতীত আচরণ ক্ষমা করা হবে।
বিরোধী দলীয় নেত্রী সভেতলানা তিখানোভস্কায়া আরো বলেন, আমি রাজনীতিবিদ হতে চাইনি। পরিস্থিতিই আমাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সম্মুখভাগে নিয়ে এসেছে। তাই এই অবস্থান থেকে আমি আর সরতে চাইনা। বিক্ষোভকারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। বিক্ষোভের কারণে ইতোমধ্যে যাদেরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
-এটি