আওয়ার ইসলাম: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যেকার শান্তিচুক্তির মূল লক্ষ্য পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল রোধ করা। ইসরায়েলি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান হেন্দ আল-ওতাইবা।
তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে দখল কার্যক্রম নিয়ে আমরা বেশ উদ্বিগ্ন ছিলাম। আমাদের মনে হচ্ছিল, এর ফলে সেখানে দ্বি-রাষ্ট্রনীতি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। যদি সে রকম কিছু হতো তাহলে অতীতের সব আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে যেত।
ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিরোধের কারণেই এতোদিন আমাদের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়নি। কিন্তু এবার আমরা সে বিরোধিতা মেটানোর পদক্ষেপ নিয়েছি। আশা করছি, এই চুক্তির কারণে পশ্চিম তীরে সহিংসতা কমে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ইসরায়েলের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সস্পর্ক শুরু করার সব প্রক্রিয়া সম্পাদন করেছি। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে।
আল আরাবিয়া বলছে, সাক্ষাৎকারে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেননি ওতাইবা। তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সেখানে জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা আছে। আমরা এর বাইরে কিছু ভাবতে পারি না।
ওতাইবা বলেন, পশ্চিম তীরের সংকট মোকাবেলায় আমিরাত শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সম্ভাবনাময়ী একটি উদ্যোগ নিয়ে এগোচ্ছে। এছাড়া আর কোনো সমাধান আমরা দেখছি না। এই চুক্তির ফলে ফিলিস্তিনিদের সমস্যাও কেটে যাবে বলে আমি মনে করি। তারা একটি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান পেতে যাচ্ছে।
-এটি