রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদিতে চারটি ড্রোন ভূপাতিত, সামরিক সহায়তায় প্রস্তুত মিসর ডি-৮ মহাসচিবের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য জোরদারে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে: আসজাদ মাদানি নতুন প্রজন্মকে হাদিস অধ্যয়নে আগ্রহী করতে ‘হাসানাহ হাদিস অলিম্পিয়াড ২০২৭’ সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন তাকওয়াই দুনিয়া-আখেরাতের সফলতার পথ: মসজিদে নববীর খতিব ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহীর কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন

ধামরাইয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ২ পুলিশ ক্লোজড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকার ধামরাইয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ইজিবাইক জব্দের পর তা বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাতে তাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।

এর আগে একই দিন বিকেলে ইজিবাইক বিক্রি করার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রাথমিক সত্যতা যাচাই শেষে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শামীম।

জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামের তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে রমজান আলী নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতেরা আশপাশের তিনটি বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। পরে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ঘটনায় ধামরাই থানায় হত্যা ও ডাকাতির পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেন। এছাড়া তিনি জিরানি এলাকায় একটি ইজিবাইকের গ্যারেজ থেকে এএসআই শামীমকে সঙ্গে নিয়ে ডাকাতদের ব্যবহৃত তিনটি ইজিবাইক উদ্ধার করেন।

এরপর উদ্ধারকৃত ইজিবাইকগুলো ফাঁড়িতে রাখা হলেও পরবর্তীকালে সেগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এর পরপরই ফাঁড়ির ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ইজিবাইক তিনটি বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ