রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য জোরদারে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে: আসজাদ মাদানি নতুন প্রজন্মকে হাদিস অধ্যয়নে আগ্রহী করতে ‘হাসানাহ হাদিস অলিম্পিয়াড ২০২৭’ সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন তাকওয়াই দুনিয়া-আখেরাতের সফলতার পথ: মসজিদে নববীর খতিব ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহীর কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন শিশুর অতিরিক্ত জেদ ও রাগ নিয়ন্ত্রণে কী আমল করবেন? সৌদিতে আরও ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ভয়াবহ সুনামির আঘাতেও অক্ষত ছিল 'রহমতউল্লাহ মসজিদ'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমাত্রা দ্বীপের আচেহ প্রদেশে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় ‘রহমতউল্লাহ মসজিদ’। ২০০৪ সালের ভয়াবহ সুনামির আঘাতে এই মসজিদের আশেপাশের সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যায়। তবে প্রায় অক্ষতই থেকে যায় মসজিদটি।

কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে মসজিদটির ইমাম সুলাইমান মুহাম্মাদ আমিন বলেন, ‘আমি ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ঘটনা এখনো স্পষ্ট মনে করতে পারি। একটি ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্প যখন এই অঞ্চলে আঘাত হানে, তখন মসজিদটির পাশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অনেক মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। বোমা বিস্ফোরণের মতো একটি প্রচণ্ড শব্দের পর ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। আমি মনে করেছিলাম বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ফ্রি আচেহ মুভমেন্ট হামলা চালাচ্ছে।’

এরপর ৬৮ বছর বয়সী এই ইমাম যোগ করেন, ‘কিছুক্ষণের মধ্যেই সুনামি আঘাত হানে। ৩০ মিটার উঁচু সুনামির আঘাতে আশেপাশের সব বসতবাড়ি, ভবন ও গাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মসজিদটির গম্বুজের চেয়ে বেশি উঁচু ছিল সুনামির ঢেউগুলো। সুনামির চার মাস পর আমি ওই জায়গায় গিয়ে অবাক হয়ে দেখি মসজিদটি প্রায় আগের মতোই আছে। বড় ধরনের কোনো ক্ষতিই হয়নি।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ