বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৬ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ নতুন বছরে ভর্তির দুর্ভোগ, একটি মর্মস্পর্শী চিত্র ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মায় তলিয়ে গেল বাস, বহু হতাহতের শঙ্কা

ভোট কারচুপির প্রমাণ দিতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব: জাকসু সিইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপি বা জালভোটের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে চাকরি ছাড়বেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বলেন, “হলগুলোতে কয়েক ধাপে ভোটারদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট ছিলেন, পোলিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেছেন। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরায় নজরদারি এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে প্রদর্শনের মাধ্যমে সবার সামনেই ভোট হয়েছে। কেউ সরাসরি আমার কাছে ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলেননি।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু শিক্ষার্থীর দাবির কারণে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করতে হয়েছে, এ কারণেই ফলাফল দিতে বিলম্ব হয়েছে। কিন্তু যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারাই পরবর্তীতে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চেয়েছেন। যদি কমিশনের কোনো সদস্যের আপত্তি থাকত, তাহলে ভোটের দিনই পদত্যাগ করতেন। পরে পদত্যাগ করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “ভোট গণনায়ও একাধিক শিক্ষক যুক্ত ছিলেন এবং গণনা প্রক্রিয়াও সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই হয়েছে। তাই ভোট নিয়ে কোনো কারচুপির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমি শুধু চাকরি ছাড়ব না, পেনশনের টাকাও গ্রহণ করব না।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ