বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

পিতার হাতে ৩ বছরের কন্যাশিশু খুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ঘাটাইলে পিতার হাতেই খুন হলো ৩ বছর বয়সি শিশু সন্তান তোয়া। পাষণ্ড পিতা ছুরিকাঘাত করে নিজ সন্তানকে খুন করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর ইউনিয়নের কাইতকাই গ্রামে।

এ ঘটনায় ওই রাতেই ঘাতক পিতা মুক্তার হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় রক্তমাখা ছুরিটি।

জানা যায়, মুক্তার হোসেন পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। তার ভাই মারা যাওয়ার পর এক সন্তানসহ বিয়ে করেন তার ভাইয়ের স্ত্রী রুমিকে। পরে মুক্তার হোসেনের ঔরসে জন্ম নেয় দুই সন্তান। এর মধ্যে তোয়া ছোট। মাঝেমধ্যেই শিশুটির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যেতেন তিনি। ঘটনার রাতে বিছানায় গিয়ে মায়ের সঙ্গে ঘুমাতে যায় শিশু তোয়া। ঘুমন্ত অবস্থায় পাষণ্ড পিতা শিশুকন্যার বুক ও পেটে ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের দাবি, মুক্তার হোসেন মানসিক বিকারগ্রস্ত। নিজ মেয়েকে মারার জন্য উদ্যত হয়েছেন একাধিকবার। কী কারণে কন্যা শিশুর ওপর ক্ষোভ ছিল তা বলতে পারছে না কেউ।

এদিকে ঘটনার পরপরই ওসি মীর মোশারফ হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোপালপুর সার্কেল ফৌজিয়া হাবিব খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আসামি গ্রেফতার হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তিনি (মুক্তার) নাকি মানসিক বিকারগ্রস্ত ছিলেন। যেহেতু অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বিষয়টি জানা যাবে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ