মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ ।। ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সি‌ন্ডিকেটমুক্ত করতে না-পারলে পদ ছেড়ে দেবেন মন্ত্রী আদালতে জবানবন্দি দিলেন রামিসার মা পারভিন আক্তার চীনে বিশেষ প্রশিক্ষণে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা ফোনকলে নেতানিয়াহুকে ‘পাগল-নিমকহারাম’ বলে গালাগাল ট্রাম্পের হিজবুল্লাহ হামলা না থামালে বৈরুতে আঘাত হানার হুমকি নেতানিয়াহুর রামিসা হত্যাকাণ্ডে নতুন নাম, কে এই ডলার? গাজা-লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে বাব আল-মান্দাবও বন্ধ করবে ইরান ছেলে বুয়েট শিক্ষক ও যুগ্ম সচিব, পরিত্যক্ত ঘর থেকে মায়ের পচাগলা লাশ উদ্ধার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ৪ এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ালো শিক্ষাবোর্ড

নদীতে বিলীন মাদরাসা ভবন, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নোয়াখালী হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ইসলামপুর দাখিল মাদরাসার ভবন নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় দুটি টিনশেড ঘরের বেড়া ও চাল খুলে রাখা হয়েছে রাস্তার পাশে। বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে শিশুদের পড়ালেখা করাচ্ছেন শিক্ষকেরা। 

জানা গেছে, ইসলামপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে মাদ্রাসাপ্রধান মাওলানা আব্দুল আহাদের বাড়িতে চলছে শিশুদের পাঠদান। নদীতে ভেঙে পড়ার মুখে মাদরাসার ভিটার অবশিষ্ট অংশ। দু-একদিনের মধ্যে হয়তো মাদরাসার কোনো চিহ্ন আর পাওয়া যাবে না। পাশেই আধা পাকা মসজিদটি ভাঙনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তার ওপর মাদরাসার টিনশেডের ঘরগুলো খুলে রাখা হয়েছে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে।

মাদরাসার সহকারী শিক্ষক এ টি এম আমিরুল ইসলাম জানান, ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী ছিল এই মাদরাসায়। অনেকে ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। এখনো শতাধিক শিক্ষার্থী আসেন অস্থায়ী ভিত্তিতে চলা এই পাঠদান ক্লাসে। সবাইকে জায়গা দেওয়া যায় না। দু-তিন ভাগে ভাগ করে পড়াতে হয়। রোধের মধ্যে তারা বেশি সময় থাকতে পারে না। আবার খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টি এলে সবাইকে চলে যেতে হয়। এখন আর কেউ বেতন-ভাতা দেয় না। নিজেরা মাদ্রাসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য অনাহারে-অর্ধাহারে থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ইসলামপুর বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল খালেক জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ২০০১ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই অঞ্চলে ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। এ জন্য এখানে ছাত্র-ছাত্রীও ছিল অনেক। সবাই সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু নদীভাঙনে এখন সব শেষ। তিনি আরও জানান, গত ১০ বছরে চানন্দী ইউনিয়নের অব্যাহত ভাঙনে অর্ধশতাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো ভাঙন অব্যাহত আছে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ