মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ৮ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফরিদপুর-২: প্রভাবশালী আলেম কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন ভোটের বাক্সে? আমাদের ওপর আঘাত এলে এবার পাল্টা আঘাত হবে, চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপির সারোয়ার ফরিদপুরে ডাকাতি, ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন গ্রেফতার কাফনের কাপড় পরে আত্মঘাতী হামলায় স্বেচ্ছা অংশগ্রহণ কাতাইব হিজবুল্লাহর শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে ওমানের ওয়ার্ক ভিসা সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, অন্যান্য সম্পত্তি জব্দ ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় জামায়াতের নারী সমাবেশ ময়মনসিংহে তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা টেকনাফে সীমান্তে আরাকান আর্মির ছোঁড়া গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত

চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপির সারোয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসির) বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করা হয়েছিল। জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন অভিযোগটি করেছিলেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

এর আগে প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়েছে বিচারকেরা।

এ আদেশের পর সারোয়ার আলমগীরের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ‘মনোনয়ন বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্ট সারোয়ার আলমগীরকে দলীয় প্রতীক (ধানের শীষ) বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তাঁর নির্বাচনে অংশ নিতে আইনগত বাধা নেই।’

শুনানির পর ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে। তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এর বৈধতা নিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সারোয়ার আলমগীর ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন।

আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে  শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস। অপর প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির শুনানিতে ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ