বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

শ্রমিকদের জীবন হয়তো সস্তা, তাদের মৃত্যু আমাদের আলোড়িত করেনি: শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর মিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মৃত্যুর জন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সংস্কৃতি কবে চালু হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি নিহতদের পরিবারকে সামান্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে দায় সারার এবং তদন্তের নামে ‘তামাশা’ করার প্রচলিত রীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় মিরপুরের অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা স্বেচ্ছায় আগুনে ঝাঁপ দেয়নি! তাহলে এতগুলো তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ার পেছনে নিশ্চয় কারো না কারো ত্রুটি কিংবা দায় আছে।’

শায়খ আহমাদুল্লাহ বর্তমান দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে না দেখে একে এক প্রকার ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘প্রতিটি দুর্ঘটনার পর (পড়ুন হত্যাকাণ্ড) আমরা নিহতের পরিবারকে দায়সারা গোছের সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিই এবং তদন্তের নামে তামাশা করি।’

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কবে আমরা দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে পারব? কবে নিহতের পরিবার সত্যিকারের ক্ষতিপূরণ পাবে? প্রচলিত সিস্টেম কি আদৌ সে নিশ্চয়তা দিতে পারবে?’

এই ঘটনায় গণমাধ্যম ও জনমনে যথেষ্ট আলোচনা না হওয়া নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তার মতে, মিরপুরের ঘটনা যতটা আলোচিত হওয়ার দরকার ছিল, তার সিকিভাগও মিডিয়া কাভারেজ পায়নি।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কাছে শ্রমিকের জীবনের মূল্য হয়তো সস্তা। তাইতো তাদের মৃত্যু আমাদেরকে আলোড়িত করেনি।’

জনমনে সৃষ্টি হওয়া এই প্রশ্নটিই এখন সামনে আসছে- দেশের কর্মক্ষেত্রগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এমন দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে কঠোর পদক্ষেপ নেবে?

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ