শিরোনাম :
যেমন ছিলো রাসুল সা.এর সামরিক কৌশল!
ডিসেম্বর ১৬, ২০২১ ৬:৫০ অপরাহ্ণ

আ.স.ম আল-আমিন মহানবী সা. এর সামরিক কৌশলের মূল বিষয় ছিল, শত্রুর রক্ত ঝরানোর চেয়ে তাকে অসহায় ও দূর্বল করে দেয়াকে অগ্রাধিকার দান, যতক্ষণ না সে সাহায্য সহযোগীতা করে অথবা প্রতিরোধ ত্যাগ করে। মোটকথা মহানবী সা. ধ্বংস করার পরিবর্তে বাধ্য করা পছন্দ করতেন।

এখান থেকে বুঝা যায় মহানবী সা. এর রাজনীতির লক্ষ্য কোরাইশদেরকে হালাক করা ছিলনা, বরং সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন রেখে দূর্বল ও পরাজিত করা ছিল তাঁর লক্ষ্য।

মহানবী সা. এর সংগ্রামী জীবনে অনেক কৌশল রয়েছে তার কিছু নমুনা নিম্নে তুলে ধরা হলো-মহানবী সা. নিজের প্রতিরক্ষা শক্তিকে সংখ্যা, সংঘবদ্ধতা, পরিশ্রম সামরিক প্রস্তুতি ও চারিত্রিক প্রশিক্ষণের দিক দিয়ে দ্রুত বিকশিত করেছেন, এটাকে যন্ত্রের মত সর্বদা সক্রিয় রেখেছেন এবং এর দ্বারা তিনি বিরোধীদেরকে ভীত সন্ত্রস্থ করে রেখেছেন।

মক্কাবাসীর বাণিজ্য পথকে অবরোধ করে তাদেরকে নিঃশেষ করে দিয়েছেন। সমঝোতা ও চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে অনেক গোত্রকে পর্যায়ক্রমে শত্রুর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের সাথে নিয়ে নিছেন।

তিনি সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক রকমের কৌশল অবলম্বন করেছেন। কখনো তিনি শত্রুকে প্রস্তুতি গ্রহণ করার সুযোগ না দিয়ে অতর্কিত হামলার পন্থা অবলম্বন করেছেন। (যেমন মক্কা বিজয়)কখনো অভিযানের ঠিকানা গোপন রেখে শত্রু পক্ষকে বিপদে ফেলে রাখতেন।(যেমন বনু মুস্তালিক যুদ্ধ)।

কখনো যুদ্ধের ফলাফল আগে থেকে নিজের পক্ষে করে রেখেন (বদরের যুদ্ধ) আবার কখনো এমন প্রতিরক্ষাকৌশল গ্রহন করেছেন, যার সম্পর্কে শত্রু পক্ষের পূর্ব থেকে কোন অবিজ্ঞতা নাই। (যেমন খন্দক যুদ্ধ)

তাই, আমরা যদি আমাদের দেশকে সামরিক শক্তিতে সমৃদ্ধ করতে চাই – তাহলে সফল রাষ্ট্র নায়ক রাসুল সা. এর অনুসৃত কৌশল অবলম্বন করা ছাড়া কোন বিকল্প নাই।

শিক্ষার্থী, মা’হাদুল ইকতিসাদ ওয়াল ফিকহীল ইসলামী, ঢাকা

-এটি

সর্বশেষ সব সংবাদ