বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

তালেবানের হুঁশিয়ারি: স্বীকৃতি না দিলে পুরো বিশ্বই সমস্যায় পড়বে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: তালেবানরা শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশগুলোর কাছে আফগানিস্তানে তাদের সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে, অস্বীকৃত অব্যাহত থাকলে এবং বিদেশে আফগানিস্তানের অর্থ আটকে রাখলে তা কেবল তাদের দেশের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও সমস্যা সৃষ্টি করবে।

গত ১৫ আগস্ট তালেবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর থেকে কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবানকে স্বীকৃতি দেয়নি। এ ছাড়া দেশটি গুরুতর অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মুখোমুখি হলেও বিদেশে কোটি কোটি ডলারের আফগান সম্পদ এবং নগদ অর্থও আটকে রাখা হয়েছে।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমেরিকার প্রতি আমাদের বার্তা হল, যদি অস্বীকৃতি অব্যাহত থাকে, আফগান সমস্যা অব্যাহত থাকে, তাহলে তা এই অঞ্চল সহ পুরো বিশ্বের জন্যই সমস্যায় পরিণত হতে পারে’।

তিনি বলেন, গতবার তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে যাওয়ার কারণও ছিল এই দুই পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলার পর তৎকালীন তালেবান সরকার আল-কায়েদার প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে হস্তান্তর করতে অস্বীকার করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সে বছরই আফগানিস্তান আক্রমণ করেছিল।

মুজাহিদ বলেন, ‘যে সমস্যাগুলো যুদ্ধের কারণ হয়েছে, সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত, রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেও সেগুলোর সমাধান করা যেত’।

কোনো দেশ এখনো আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে বেশ কয়েকটি দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কাবুল এবং বিদেশে তালেবান নেতৃত্বের সঙ্গে প্রকাশ্য বৈঠক করেছেন।

সর্বশেষ তুর্কমেনিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাসিত মেরেডো আফগানিস্তান সফর করেছেন, যিনি শনিবার কাবুলে ছিলেন। মুজাহিদ টুইটারে আগে বলেছিলেন, দুই পক্ষ তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান-ভারত (TAPI) গ্যাস পাইপলাইনের দ্রুত বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত সপ্তাহে কাতারে তালেবান কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। মুজাহিদ শনিবার বলেন যে, চীন আফগানিস্তানের পরিবহন অবকাঠামোতে অর্থায়ন করার এবং প্রতিবেশী পাকিস্তানের মাধ্যমে কাবুলের রপ্তানি পণ্যকে চীনা বাজারে প্রবেশাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ