বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

পাকিস্তানে নিজেকে নবী দাবি করা এক নারীর মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ধর্ম অবমাননার অপরাধে পাকিস্তানের একটি আদালত সালমা তানভীর নামের একজন নারী স্কুল অধ্যক্ষকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সালমা লাহোরের নিশতার কলোনির একটি বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ ছিলেন।

লাহোরের একটি জেলা ও দায়রা আদালত সোমবার তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে এবং ৫ হাজার রুপি (২৯ ডলার) জরিমানা করেছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মনসুর আহমদ রায়ের পর্যবেক্ষণ বলেন, মোহাম্মদ সা. ইসলাম ধর্মের শেষ নবী নন বলে ধর্ম অবমাননা করেছেন সালমা তানভীর। এ ছাড়া তিনি নিজেকে ইসলামের একজন নবী বলেও দাবি করেছেন।

লাহোর পুলিশ ২০১৩ সালে স্থানীয় এক আলেমের অভিযোগের ভিত্তিতে তানভীরের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা দায়ের করেছিল। তার বিরুদ্ধে নবী মোহাম্মদকে সা. শেষ নবী হিসেবে স্বীকার না করার অভিযোগ ছিল এবং তিনি নিজেকেও ইসলামের একজন নবী বলে দাবি করেছিলেন।

সালমা তানভীরের আইনজীবী মোহাম্মদ রমজান বলেন, তার মক্কেল ‘অস্থির মনের মানুষ’। আদালতকে এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।

তবে আদালতে দাখিল করা পঞ্জাব ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথের একটি মেডিকেল বোর্ডের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে বিকৃত না হওয়ায় বিচারের জন্য উপযুক্ত’।

পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মঅবমাননা আইন এবং তাদের নির্ধারিত শাস্তি অত্যন্ত গুরুতর। ১৯৮৭ সাল থেকে পাকিস্তানে এই আইনে কমপক্ষে ১৪৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ধর্মঅবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সাধারণত তাদের পছন্দের একজন আইনজীবী পাওয়ার অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়। কারণ অধিকাংশ আইনজীবী এই ধরনের সংবেদনশীল মামলায় ওকালতি করতে চান না।

ব্লাসফেমি আইন ঔপনিবেশিক যুগ থেকেই প্রচলিত ছিল। কিন্তু সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়াউল হক এই আইনে সংশোধন এনে শাস্তির তীব্রতা বাড়িয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ