সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাবির ফজলুল হক হলের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন  শরিয়ার আলোকে ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ার প্রত্যয় বিআইসিসিআইয়ের নাটোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে খড় ব্যবসায়ীর মৃত্যু হাদিসের আলোকে দরুদ পাঠের পাঁচ উপকারিতা মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু সাগরে নিম্নচাপ, সারাদেশে ভারী বর্ষণের শঙ্কা  মুসলিমদের যারা সন্ত্রাসী বলে তারাই প্রকৃতপক্ষে সন্ত্রাসী: মাওলানা আরশাদ মাদানী সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ১৫ লাখ রিয়াল পুরস্কার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাগত

'চেয়ারম্যান বাদল রাতে নারীদের বাড়ি ডাকেন, না গেলে করেন হয়রানি'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যসহ ৬ জন ইউপি সদস্য।

আজ মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান বাদলের সকল দুর্নীতির প্রতিকার ও তার শাস্তির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংরক্ষিত সদস্য শাহানা ইয়াসমিন উল্লেখ করেন, লক্ষ্মীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল নারীলোভী, দুর্নীতিবাজ ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী নেতার পরিচয় দিয়ে কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছেন। আত্মসাতকৃত অবৈধ টাকা দিয়েই লেঙ্গাবাজারে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক হয়েও তিনি ছাত্রীর ধর্ষক। মোস্তাফিজুর রহমান বাদল ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই এক স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। এ ব্যাপারে মামলা হলে তিনি পর পর দু’বার জেলহাজতে আটক থাকেন। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধর্ষিতার পরিবারের সাথে আপস করে রেহাই পেয়ে যান।

কিন্তু তিনি এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে বর্তমানে একটি মামলার (নং ৪৯/৭৬২) আসামি। এ মামলাতেও তিনি জেলখেটে আদালতের অস্থায়ী জামিনে রয়েছেন। তার এ অপকর্মগুলো মুখ বুঝে সহ্য করলেও ইউপির মহিলা সদস্যরা সংশ্লিষ্ট কাজে চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করতে কুণ্ঠাবোধ করেন। তিনি মহিলা সদস্যদের মিটিংয়ের নামে এককভাবে তার কক্ষে ডাকেন।

এতে সাড়া না দিলে তিনি ওই সদস্যকে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ থেকে বঞ্চিত করেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

শাহানা ইয়াসমিন আরো জানান, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ায় তাকে স্থানীয় সরকার বিভাগ সাময়িক বরখাস্ত করে। কিন্তু সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে পুনর্বহালের আদেশ পেয়ে তিনি আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

এসময় সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগম ও শাবানা খাতুন আরো অভিযোগ করেন, প্রায় রাতে চেয়ারম্যান বাদল ইউপি নারী সদস্যদের বাড়িতে ডাকেন। তারা না গেলে বিভিন্নভাবে তাদের হয়রানি ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ