বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগস্টের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

আর্মেনিয়াকে মানবতা দেখাল আজারবাইজান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আর্মেনিয়াকে নাগর্নো-কারাবাখের সীমান্তবর্তী কালবাজার জেলা থেকে সরে যাওয়ার জন্য আজারবাইজান আরো ১০ দিন সময় দিয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সহযোগী হিকমেট হাজাইয়েভ।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দখলকৃত জেলাটি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে ইয়েরেভান রাশিয়ার মাধ্যমে আরো সময় চেয়েছে। মানবতার পরিচয় দিয়ে আজারবাইজান তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেছে।

চরম খারাপ আবহাওয়ার কারণে, আর্মেনিয়ার দিকে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা জোড-ভারনেইনস অত্যন্ত সরু হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আজারবাইজান আর্মেনিয়াকে তার নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার জন্য আরো সময় দিয়েছে, যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলে প্রায় ৬০ হাজার আজারবাইজানি বসবাস করতো। গত ২৭ বছর আগে এলাকাটি দখলের সময় তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই লোকগুলো আজারবাইজানের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যায়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে অঞ্চলটি নিয়ে বিবাধ সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে ১৯৯৩ সালে জেলাটি দখল করে নেয় আর্মেনীয় বাহিনী।

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে এতদিন পর্যন্ত সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীর হাতে। অন্যদিকে, নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করে অঞ্চলটির বাসিন্দারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় আইনগতভাবে সেটি আজারবাইজানেরই থেকে যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ