193971

নিয়ম-নীতির আওতায় আসছে দেশের ফেসবুক-ইউটিউব

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশেও ফেসবুক-ইউটিউবসহ ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বেড়েছে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা।

কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারকে কোনো ভ্যাট দেয়া হচ্ছে না। তাই এবার এসব প্ল্যাটফর্মকে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রোববার সচিবালয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনা সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার শুরুতে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিষয়গুলোর সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত ছিলাম না, এমনকি এগুলো সম্পর্কে আমরা জানতাম না। সেই বিষয়গুলো নিয়ে এখন আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হচ্ছে। আর এটি বর্তমান যুগের একটি বাস্তবতা। এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিনোদন থেকে শুরু করে নানা কিছু স্ট্রিমিং হচ্ছে।

আমরা দেখতে পেয়েছি এগুলো নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার তাদের কাছ থেকে সঠিকভাবে ট্যাক্স পাচ্ছে না। যারা সার্ভিস প্রোভাইডার তারা বিটিআরসির কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়েছে ঠিকই। কিন্তু তারা অন্য ব্যবসাও করছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন ও রবির কাছে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কোন লাইসেন্সের বলে তারা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে অন্যদের কাছ থেকে কনটেন্ট নিয়ে লাইভ স্ট্রিমিং করছে। পরে গ্রামীণফোন একটা উত্তর দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সেখানে সঠিক ব্যাখ্যা নেই। তাই এসব বিষয় ট্যাক্সেশনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তাছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মের নানা কনটেন্ট নিয়েও ইতোমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কনটেন্টগুলো আনসেন্সরডভাবে সেখানে যাচ্ছে। সে জন্যই আজকে এই সমন্বিত সভা করা। যেন এগুলোকে একটি নিয়ম-নীতির মধ্যে আনা যায়।

মন্ত্রী বলেন, ওটিটি প্লাটফর্ম একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র। সেখানে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। এমনকি ২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হওয়ার সুযোগ আছে। অথচ সরকার সেখান থেকে যেভাবে ট্যাক্স পাওয়ার কথা সেখাবে কোনো ট্যাক্স পাচ্ছে না।

ad