শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

চলে গেলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী এক আলেম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর ।।

মুফতী মুহাম্মদ ইদরীস কাসেমী। দারুল উলূম দেওবন্দের মুঈনে মুফতী হিসেবে কর্মরত ছিলেন দীর্ঘদিন। তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান সহিহ বুখারির বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘কাশফুল বারী শারহু সহীহিল বুখারী’ এর রচয়িতা তিনি।

প্রায় ১৭ বছরে রচিত উর্দু ভাষায় ৩২ খণ্ডের বিশাল এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটির কারণে তিনি উপমহাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। পরে সেই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি নিজেই বাংলা ভাষায় রূপান্তর করেন।

একটি বিশাল গ্রন্থের মূল লেখক, অনুবাদক, প্রকাশক, বিক্রেতা সবই তিনি ছিলেন। বলা যায়, তাঁর গোটা জীবন দিয়েছেন এর পেছনে।

আমি যখন দারুর রাশাদে ছিলাম প্রায়ই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতো। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীতে, থাকতেন মিরপুরে। অত্যন্ত সহজ-সরল ছিলেন। মুখে সবসময় হাসি লেগেই থাকত।

তাঁকে দেখে বোঝা যেত না, এতো বিশাল ইলমি খেদমত তিনি আঞ্জাম দিয়েছেন। দেখা-সাক্ষাতে সবসময় বুখারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ নিয়েই আলোচনা করতেন। প্রতিটি খণ্ড ছাপা এবং বাজারজাত করার পেছনে তাঁকে প্রচুর শ্রম দিতে হয়েছে।

এমন বিরল প্রতিভার আলেম বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। আল্লাহ তাঁর খেদমতগুলো কবুল করে নিন। তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।

লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ  ইসলামী লেখক ফোরাম । 

(লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেওয়া )

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ