শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন

যে ১৪ নারী বিয়ে করা ইসলামে নিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আফিয়া আফরিন:

বিয়ে মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন পুরুষ ও একজন নারীর মাঝে ইসলাম নির্দেশিত বৈধ উপায়ে সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বংশ বৃদ্ধির বৈবাহিক সভ্যতা গড়ে ওঠে মুসলমানের। তবে যে কাউকে বিয়ে করার সুযোগ ইসলাম রাখেনি। কারণ ইসলাম সভ্য ও আদর্শের জীবনবাহী ধর্মের নাম ইসলাম। তাই ইসলাম মানবজাতির সভ্যতা ও আদর্শ রক্ষায় একজন পুরুষকে ১৪ নারীর যে কারোর সঙ্গে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ১৪ নারীর কারোর সঙ্গে একজন পুরুষের বিয়ে হারাম ও অবৈধ।

মানবজাতির সংবিধান আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনে সে ১৪ নারীর বিবরণ স্পষ্ট তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, তেমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে-

১. তোমাদের মা

২. তোমাদের মেয়ে

৩. তোমাদের বোন

৪. তেমাদের ফুফু

৫. তোমাদের খালা

৬. তোমাদের ভ্রাতৃকণ্যা

৭. তোমাদের ভগিনীকণ্যা

৮. তোমাদের সেসব মা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করাইছে

৯. তোমাদের দুধ-বোন

১০. তোমাদের স্ত্রীর মা

১১. তোমরা যাদের সঙ্গে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের মেয়ে যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

১২.  তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী

১৩. দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু। এবং

১৪. অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

দ্রষ্টব্য: সূরা নিসা : ২৩, তাফসিরে মাজহারি ২/২৫৪।

এইচএএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ