বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

সিরিয়ায় গবেষণাগারগুলো ধ্বংস করছে আমেরিকা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গতকাল শনিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বলেছে, হামলা শুরুর প্রথম দিকেই দামেস্কের বারজাহ এলাকায় একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রসহ তিনটি রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু তারা যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে তার মধ্যে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে যা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরি করত।

সিরিয়ার ওপর আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় রাজধানী দামেস্কে
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ায় ক্যান্সার ও জটিল কিছু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে। বারজাহ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল “দি ইনস্টিটিউশন ফর দ্যা ডেভলপমেন্ট অব ফারমাসিউটিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ”।

ইনস্টিউটের প্রধান সাঈদ বলেন, এটা একসময় রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত কিন্তু এখন সেটা ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছিল। তিনি বলেন, “সিরিয়া সংকট শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে দেশে সবধরনের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

বিদেশি কোম্পানিগুলো সিরিয়ার কাছে উঁচু ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে আমরা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির জন্য এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে আসছিলাম এবং আমরা তিনটি ওষুধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।”

আরো পড়ুন ইসরাইলি সেনাদের হামলায় গুলিবিদ্ধ ১২২ ফিলিস্তিনি

এইচজে

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ