সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ইবনে শাইখুল হাদিসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের দুই ঘণ্টার বৈঠক জামায়াত কি ক্ষমতায় যেতে চায়? নতুন জরিপে বিএনপির কাছাকাছি জনপ্রিয়তা জামায়াতের! হাদি হত্যা: চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠছাড়া করতে পরিকল্পিত চেষ্টা চলছে: ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন সালমান এফ রহমান-আনিসুল হক ‘মুজিব কোট তুলে রেখেছি, এবার ধানের শীষে ভোট দেব’

চার উপায়ে নামাজে মনোযোগ বাড়ান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফয়জুল্লাহ সাইফ :  নামাজ আল্লাহর সাথে বান্দার যোগাযোগ ও নিবিড়তম সম্পর্ক তৈরির অন্যতম মাধ্যম। বান্দা যখন নামাজ আদায় করে, তখন তার সাথে আল্লাহর একান্ত আলাপন হয়। এই নিভৃত আলাপন বা যোগাযোগ উপলব্ধির জন্য গভীর মনোযোগের সাথে নামাজ আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ।

মনোযোগের সাথে নামাজ আদায়ের চারটি পরামর্শ সংক্ষেপে আলোচনা করা হল-

১. সচেতন থাকা
আপনি যখন নামাজের জন্য দাঁড়াবেন, তখন আপনি পূর্ণমাত্রায় সচেতন থেকে নামাজ আদায় করুন। নামাজের মধ্যে প্রতিটি পদক্ষেপে আপনি স্মরণ করুন যে কী কারণে, কোন উদ্দেশ্যে এক সর্বশক্তিমান সত্ত্বার সম্মুখে আপনি দাঁড়িয়েছেন।

নামাজের মধ্যে আপনার এমন ধ্যানের সহিত সচেতন থাকা প্রয়োজন, যেনো আপনি দেখছেন সেই মহান ক্ষমতাশালী স্বত্তাকে, যার সম্মুখে আপনি দাঁড়িয়েছেন, নতুবা অন্তত তিনি আপনাকে দেখছেন এবং আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ লক্ষ্য করছেন।

২. অর্থ জেনে বুঝে পড়া
নামাজে যা কিছু পড়া হয়, তার অর্থসমূহ যদি শিখে নিয়ে জেনে বুঝে অর্থের প্রতি খেয়াল রেখে পড়া যায়, তাহলে নামাজে মনোযোগ বাড়ার সাথে সাথে আল্লাহর সাথে সম্পর্কও সুদৃঢ় ও সুনিবিড় হবে।

৩. ধীরস্থিরভাবে আদায়
নামাজের সব কাজগুলো সময় নিয়ে ধীরে ধীরে স্থিরতার সাথে সম্পন্ন করলে তা নামাজের মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সময় নিয়ে রুকু করা, সময় নিয়ে সিজদাহ করা, দুই সেজদাহর মাঝখানে সময় নিয়ে বসা- ইত্যাদি রোকনগুলো ধীরস্থিরভাবে সময় নিয়ে সম্পন্ন করলে নামাজের ভেতর মনকে স্থির রাখা সহজ হবে।

৪. দোয়ায় বিভিন্নতা
নামাজের দোয়া সমূহের বিভিন্নতা নামাজে মনোযোগ ও আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য সহায়ক একটি উপায়। নামাজের যে সকল স্থানে আবশ্যকতা নেই যে এই দোয়াটিই পড়তে হবে বা এটিই নির্দিষ্ট, সে সকল স্থানে রাসুলুল্লাহ সা. বিভিন্ন সময়ে যে দোয়াসমূহ পাঠ করেছিলেন, সেগুলো শিখে নিয়ে যদি পরিবর্তন করে করে পাঠ করা যায়, তবে নামাজের মধ্যে মন সম্পূর্ণভাবে স্থির থাকবে এবং নামাজ একঘেয়েমিপূর্ণ রুটিন ওয়ার্ক না হয়ে বরং যথার্থই ইবাদতে পরিণত হবে। এবং এই নামাজ হবে আল্লাহর সাথে নিবিড়তম সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। পরিবর্তন ডটকম।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ