বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

৫৪ বছর পর জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি ; সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলম: ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের মাউন্ট আগুং আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত ঘটার আশঙ্কা করছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বোর্ড। দেশটিতে ৫৪ বছর পর জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি। এতে আগ্নেয়গিরির আশপাশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

বিশাল এলাকাজুড়ে লোকজনকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির পাশাপাশি একটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, কালো ধোঁয়া ও ছাই পর্বতচূড়া থেকে তিন হাজার ৪০০ মিটার পর্যন্ত উঁচুতে উঠেছে। জ্বালামুখ থেকে আগুন বেরোচ্ছে। অগ্ন্যুৎপাতে নিক্ষিপ্ত পাথর থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বোড সতর্কতার মাত্রা চারে উন্নীত করে বলেছে, বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা করছে তারা। আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত ছাই বেরোচ্ছে। রাতে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে। বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাত আসন্ন।

অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ মার্ক তিনগে জানান, আগ্নেয়গিরিটি অগ্ন্যুৎপাতের পরবর্তী ধাপে পৌঁছেছে। এর জ্বালামুখে লাভা দেখা যাচ্ছে। তবে কখন এর উদগিরণ শুরু হবে, এ বিষয়ে এখনই সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা মুশকিল। এটি ভয়াবহ ও ব্যাপক হতে পারে, আবার খুব ছোটখাটো কিছু হতে পারে।

ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি বলেও জানান তিনগে।

গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে মাউন্ট আগুং নামের এই সুপ্ত আগ্নেয়গিরির জেগে ওঠার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছিল। ওই সময় থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্কতার সর্বোচ্চ মাত্রা জারি করেছিল। তখন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে আগ্নেয়গিরির আশপাশের এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত মঙ্গলবার আগ্নেয়গিরি থেকে আবার উদ্বেগজনক মাত্রায় ধোঁয়া ও ছাই উদগিরণ শুরু হয়। এ সময় ২৫ হাজার লোককে বাধ্যতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আগ্নেয়গিরির সাড়ে সাত কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। গতকালও মাউন্ট আগুং থেকে ধোঁয়া ও ছাই উদ্গিরণ হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় বর্তমানে ১২০ টিরও বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এগুলোর একটি হলো মাউন্ট আগুং। ১৯৬৩ সালে এতে সর্বশেষ অগ্ন্যুৎপাতে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়।

সূত্র: বিবিসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ