শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ ।। ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৭ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
মোটারসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তেল নেওয়া যাবে লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬৫ বাংলাদেশি ইরানের জনগণসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি জামায়াতের সহমর্মিতা  ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা  এবার ৪০৫ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনলো ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট এবারের নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর কে কত ভোট পেল? দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির, সপ্তাহ ব্যবধানে ৫০-৬০ টাকা বেশি ‘ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতির কোনো বিকল্প নেই’ দুবাইবাসীর ফোনে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জরুরি সতর্কবার্তা

আজ পবিত্র হজ: লাখো মুমিনের কন্ঠে ’লাব্বাইক আল্লাহুম্মা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র হজ। ভাষা ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের প্রায় ১৭১টি দেশের ২৫-৩০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনের লক্ষ্যে মিনা থেকে আরাফাতের দিকে রওয়ানা হয়েছেন। ’লাব্বাইক আল্লাহুম্মা...’ তালবিয়া পাঠ করে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়ে পাপমুক্তির আকুল বাসনায় লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান (হাজি) আজ মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হবেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তাঁরা থাকবেন ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা দেবেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ আল-শেখ। মূলত, আজ ফজরের পর গোটা দুনিয়া থেকে আগত  লক্ষ লক্ষ মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন।

৯ জিলহজ মূল হজের দিন তারা এখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকবেন। চার বর্গমাইল আয়তনের এই বিশাল সমতল মাঠের দক্ষিণ দিকে মক্কা হাদা তায়েফ রিং রোড, উত্তরে সাদ পাহাড়। সেখান থেকে আরাফাত সীমান্ত পশ্চিমে আরো প্রায় পৌনে ১ মাইল বিস্তৃত। মুসলমানদের অতি পবিত্র এই ভূমিতে যার যার মতো সুবিধাজনক জায়গা বেছে নিয়ে তারা ইবাদত করবেন; হজের খুতবা শুনবেন এবং জোহর ও আছরের নামাজ পড়বেন।

সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহ তা’আলার জিকির আসকার ইবাদতে মশগুল থাকবেন। অতঃপর মুজদালিফার উদ্দেশে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করবেন এবং মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশা’র নামাজ এশা’র ওয়াক্তে একত্রে পড়বেন এবং সমস্ত রাত অবস্থান করবেন। মীনায় জামরাতে নিক্ষেপ করার জন্য ৭০টি কংকর এখান থেকে সংগ্রহ করবেন। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ পড়ে মীনার উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। ১০ জিলহজ মীনায় পৌঁছার পর হাজীদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

প্রথমে মীনাকে ডান দিকে রেখে হাজীরা দাঁড়িয়ে শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ করবেন। দ্বিতীয় কাজ আল্ল­াহর উদ্দেশে পশু কোরবানি করা। অনেকেই মীনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন। তৃতীয় পর্বে মাথা ন্যাড়া করা। চতুর্থ কাজ তাওয়াফে জিয়ারত। জিলহজের ১১ তারিখ মীনায় রাত যাপন করে দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাজীরা বড়, মধ্যম ও ছোট শয়তানের উপর সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। আর এ কাজটি করা সুন্নত। পরদিন ১২ জিলহজ মীনায় অবস্থান করে পুনরায় একইভাবে হাজীরা তিনটি শয়তানের উপর পাথর নিক্ষেপ করবেন।

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা শেষ হলে অনেকে সূর্যাস্তের আগেই মীনা ছেড়ে মক্কায় চলে যাবেন। আর মক্কায় পৌঁছার পর হাজীদের একটি কাজ অবশিষ্ট থাকে। সেটি হচ্ছে ক্বাবা শরীফ তাওয়াফ করা। একে বলে বিদায়ী তাওয়াফ। স্থানীয়রা ছাড়া বিদায়ী তাওয়াফ অর্থাত্ ক্বাবা শরীফে পুনরায় সাতবার চক্কর দেওয়ার মাধ্যমে হাজীরা সম্পন্ন করবেন পবিত্র হজব্রত পালন।জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই হজ।আল্লাহর মেহমান হিসেবে যারা এ বছর হজ পালন করছেন তাদের অভিনন্দন।

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ