শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সব ব্যাংকের প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নির্দেশনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘শরিয়াহর চেতনাধারী যুব সমাজই আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়বে’ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুদ্ধে সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় রিয়াদকে ইরানের ধন্যবাদ মোটারসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তেল নেওয়া যাবে লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬৫ বাংলাদেশি ইরানের জনগণসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি জামায়াতের সহমর্মিতা  ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা 

রোহিঙ্গা শিবিরে ‘মুখোশধারী’ আতঙ্ক, কয়েক সপ্তাহে ৩ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : বাংলাদেশের চট্টগ্রামে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে এখন মুখোশধারী আতঙ্ক।গত কয়েক সপ্তাহে পাওয়া গেছে তিন জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ৷ নিহতদের পরিবার বলছে, প্রত্যেককেই গভীর রাতে মুখোশধারী কিছু লোক এসে ধরে নিয়ে যায় এবং কয়েকদিন পরই পড়ে থাকে গলাকাটা লাশ৷

অস্থায়ী শিবিরে আশ্রিতদের অনেকের দাবি, প্রায় রাতেই রাস্তায় রহস্যজনকভাবে ঘুরতে দেখা যায় মুখোশধারীদের৷

গত কিছুদিনে যে তিনজনের লাশ পাওয়া গেছে, তাঁদের একজনের নাম মোহাম্মদ আইয়ুব৷ গত ১৪ জুন রাতে ২০-২৫ জন মুখোশধারী এসে তুলে নিয়ে যায় তাঁকে৷ ২৫ জুন অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরের কাছেই পাওয়া যায় ৩০ বছর বয়সি আইয়ুবের লাশ৷ তাঁর গলা কাটা ছিল, হাত ছিল বাঁধা৷

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আইয়ুবের স্ত্রী নূর আনকিস বলেছেন, ‘ওরা আমাকে আর আমার বোনকে পিটিয়ে ওকে (আইয়ুব) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়৷’ আইয়ুব-আনকিসের দুই শিশু সন্তান তখন ঘুমাচ্ছিল৷

রাতের আঁধারে মুখোশধারীরা তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে আইয়ুবের আর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না৷ অবশেষে বাংলাদেশের সব মুসলমান যখন রোজা শেষে ঈদের আনন্দের অপেক্ষা করছেন, তখন স্বামীর লাশ পান আনকিস৷

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়ার আহবান জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার

আইয়ুবের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী কুতুপালং আশ্রয় শিবিরের মাদকসেবীদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন৷

আইয়ুবের অপহরণ এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ তবে হত্যাকারী, হত্যার কারণ এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি৷

তাই কুতুপালং অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে সবার রাত কাটছে আতঙ্কে৷ এক তরুণ প্রতি রাতের আতঙ্ক সম্পর্কে জানালেন এভাবে, ‘এক রাতে আমি যখন দুই সন্তান আর স্ত্রী-র সঙ্গে ঘুমাচ্ছি, ওরা এসে আমার নাম ধরে ডাকাডাকি শুরু করল৷’

অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলার কথা জানিয়ে আতঙ্কিত তরুণ আরো বলেন, ‘যেই এক ঘণ্টা ওরা আমার ঘরের বাইরে অপেক্ষা করেছিল সেটা আমার জীবনের দীর্ঘতম এক ঘণ্টা৷’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ