ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পুখুরিয়া মাদরাসার শিক্ষক ও এড্ডাউন জালালের মসজিদের ইমাম মাওলানা ইউসুফ আলীর ওপর হামলার প্রতিবাদে নাগরিক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা যায়, নামাজের সময় উচ্চস্বরে গান ও মেলার মাইকিং বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে মাওলানা ইউসুফ আলীর ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।
রোববার (৩০ মে) সকাল ১১টায় গফরগাঁও জামতলা মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ সমাবেশে সঞ্চালনা ও আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন তাশরিফ আহমাদ।
নামাজের পরিবেশ রক্ষা করতে বলায় হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় আলেম সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন ইমাম ও ধর্মীয় শিক্ষকের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নামাজের পরিবেশ রক্ষার জন্য কথা বলায় একজন আলেমকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খায়রুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জহিরুল ইসলাম উসমানী, ময়মনসিংহ জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ফজলুল হক, কোর্ট ভবন মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আনোয়ার হোসেন আসাদী, মানবাধিকার ও সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান একরাম উল্লাহ, নবরবী ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা ইউসুফ বিন মনির, ইত্তেফাকুল উলামা গফরগাঁও শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন কবির, দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, মানব আর্তসেবা ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ আবিরসহ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ থেকে বক্তারা মাওলানা ইউসুফ আলীর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আলেম-উলামাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নামাজের সময় উচ্চস্বরে গান ও মেলার মাইকিং বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে মাওলানা ইউসুফ আলীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার একটি চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এমএম/