বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
শেরপুরে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচির মৃত্যু ভূমিকম্প মোকাবিলায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল শাপলা চত্বরের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ‘বাবরি মসজিদ ভাঙা উচিত হয়নি’—এমন মত দেশদ্রোহিতা নয়: বোম্বে হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ ও ইসলামি স্থাপনায় হামলা বেড়েছে ১৮৩ শতাংশ হবিগঞ্জের সংঘর্ষে উদ্বেগ, রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিতের আহ্বান জমিয়তের মিরপুরে দেয়াল ধসে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি ইসলামী আন্দোলনের

সুদানে নিহত ২৫২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

sudanডেস্ক রিপোর্ট : দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
সরকারদলীয় এবং বিরোধী আন্দোলনকারীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১০০ জন নিহতের খবর সরকারিভাবে জানানো হয়েছিল। পরে আজ রোববার সকালে মৃতের সংখ্যা ২৫২ বলা হয়। যদিও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে এ সংখ্যা হাজারেরও বেশি।

বিবিসি জানিয়েছে, দুদিন আগে সংঘর্ষের সূচনা হলেও এখনো সেখানে গোলাগুলি চলছে এবং নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। স্থানীয় বিদ্রোহী দলগুলো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই যুদ্ধে যোগ দেওয়ায় সংকট এবং হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, জুবায় প্রধান সরকারি হাসপাতালের মর্গ মরদেহে ভরে গেছে। আরেকজন চিকিৎসক জানান, আনুমানিক ২৫০টি লাশ দেখেছেন তিনি। নিহতদের মধ্যে সেনা ও বেসামরিক লোক রয়েছে। তবে তাঁরা জানান, সেনারা মরদেহ পরীক্ষা করার সুযোগ না দেওয়ায় লাশের সংখ্যা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। চিকিৎসকদের একজন জানান, নিহতদের বেশির ভাগই পুলিশ ও সৈনিক।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট সালভা কির তাঁর প্রাসাদে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক বিদ্রোহী নেতা রেইক মাচারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর পরপরই উভয় নেতার দেহরক্ষীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

২০ মাসের গৃহযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ২০১৫ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি হলেও তাতে শান্তি আসেনি। উভয় পক্ষই নিজ নিজ পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দক্ষিণ সুদানের পঞ্চম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ বন্দুকযুদ্ধের পর শনিবার অনেকটা শান্ত ছিল রাস্তাঘাট। গৃহযুদ্ধের আশঙ্কায় আইএমএফের মতো বিদেশি সংস্থাগুলো জুবা থেকে তাদের স্টাফদের সরিয়ে নিচ্ছে।

/আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ