200135

আবারো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন

আওয়ার ইসলাম: আবারো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন। জাতীয় নির্বাচনে ৪৯ শতাংশ ভোট পেয়ে তার দল লেবার পার্টি হারিয়েছে রক্ষণশীল ন্যাশনাল পার্টিকে। পরাজয় মেনে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী দলের প্রধান জুরিথ কোলিন্স।

ক্রাইস্টচার্চ হামলার পর জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে পুরো বিশ্বের নজরে আসেন জেসিন্ডা আর্ডার্ন। মুসলিম সংখ্যালঘুদের পাশে থেকে, নিশ্চিত করেন হামলাকারীকে সর্বোচ্চ সাজা। এজন্য আইনও সংশোধন করতে হয়েছে তাকে।

করোনা মহামারি প্রতিরোধেও তার নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে সারা বিশ্বে। সেপ্টেম্বরে ভোটের কথা থাকলেও নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাবে তা পিছিয়ে যায় মাসখানেক। আর তখনই মহামারিকে পুঁজি করে বাড়তি সুবিধা নেয়ার অভিযোগ উঠে জেসিন্ডার বিরুদ্ধে। এবার সাধারণ নির্বাচনে জয় পেয়ে করোনা মোকাবিলায় আরো শক্ত অবস্থান নেয়ার কথা জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন বলেন, মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জনগণের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য সেবা আরো উন্নত করতে হবে। আমি ও আমার দল পুরো নিউজিল্যান্ডবাসীর সঙ্গে এক হয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়বো এবং জয়ী হবো।

দেশটিতে ১৯৯৬ সালে নির্বাচনি পদ্ধতি পরিবর্তন হওয়ার পর এটি কোনো রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় বিজয়। একই সঙ্গে দেশটিতে কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে জেসিন্ডার দল গত ৫০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয়। জেসিন্ডা এটিকে শক্তিশালী বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। ২০১৭ সালে, বিশ্বে সবচেয়ে কম বয়সে প্রধানমন্ত্রী হন আর্ডার্ন। তখন তার বয়স ছিলো ৩৭। পরের বছর শিশু সন্তানকে নিয়ে পার্লামেন্ট এসে আলোচনায় আসেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডের পদাংক অনুসরণ করে ১৮৯৪ সালে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। ব্রিটেনের নারীরা ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে, আমেরিকায় ১৯২০ সালে। আর অবিভক্ত বাংলার নারীরা ভোটাধিকার পায় ১৯৩৫ সালে। আর সবশেষে ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নারীরা প্রথমবারের মতো পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

-এটি

ads