192229

দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃতের হার অনুযায়ী সারা দেশকে রেড, গ্রীণ ও ইয়োলো জোনে ভাগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক।

তিনি বলেছেন, ‘করোনা সংক্রমণ ও মৃতের হার অনুযায়ী যে জোন করা হবে, সেটি এখনো করা হয়নি। যখন করা হবে তখন জানতে পারবেন। ঢাকা, নারায়াণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যদি কোনো জোন রেড হয়ে থাকে সেগুলোকে রেড করা হবে।’

আজ সোমবার (১ জুন) করোনাভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ে করনীয় সংক্রান্ত সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলা ও উপজেলা এখনো ভালো আছে। আমরা সেটা ভালো রাখতে চাই। সেটা রাখতেই আজকে এই সভা করা হলো। গত পরশুদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম নিয়ে। সেখানে বিস্তারিত এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেওয়া পরামর্শ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এখন আমরা একটা প্ল্যান তৈরি করবো। সেটা নিয়ে নীতিগতভাবে এখানে আলোচনা হয়ে গেছে। আমরা এখন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দিয়ে দেবো। তখন মেয়র, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সবাই মিলে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব।’

জোন কিভাবে করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত এটাই। এখন বিশেষজ্ঞরা তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবে বা জোনিং করবে সেটা তারা জানে।’

এলাকাভিত্তিক লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জোনের মাধ্যমেই সব করা হবে। যেখানে বেশি সংক্রমিত হবে সেখানে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা যেভাবে পরামর্শ দেবে, সেভাবেই আমরা কাজ করব।’

ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জকে রেড জোনে ফেলা হবে কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ কাজ বিশেষজ্ঞরা করবে। তবে আমরা মনে করি রেড জোন হওয়া উচিত। কারণ, এখানে অনেক সংক্রামিত।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের সংক্রমণের হার প্রতিদিনই বাড়ছে। পাশাপাশি করোনা পরীক্ষার হারও বাড়ছে। আজকে সেজন্য কয়েকটা জোন মার্কিং করছি। যেমন, রেড, গ্রিন ও ইয়োলো। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল এই জোনগুলোর মধ্যে রেড জোনকে কিভাবে গ্রিন জোন করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা দেবেন। সেই প্রস্তাবনা আমরা শিগগিরই বাস্তবায়ন করব। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এরইমধ্যে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন যে ২৫ শতাংশ কর্মকর্তার বেশি কেউ যেন একসাথে অফিসে না আসে বা পর্যায়ক্রমে তারা যাতে অফিসে আসে।’

-এটি

ad