শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে বাস পুকুরে পড়ে শিক্ষিকাসহ নিহত ২, আহত ৩০ গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ২৫০ যুগলের গণবিয়ে জামায়াতের ইসলাম আমাদের ইসলাম নয়: হেফাজত আমির বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহযাত্রার আগে বিমানবন্দরে ইহরাম অবস্থায় তুর্কি ইমামের মৃত্যু এইচএসসি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফি নিয়ে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা মানুষদের ভ্রান্ত মতবাদ থেকে রক্ষার দায়িত্ব আলেমদের: দেওবন্দের মুহতামিম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি চায় কাতার সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশনের ১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা

এআই’র দাপটে চাকরি হারাচ্ছে লাখো তরুণ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সারাবিশ্বে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার। জটিল ও কঠিন কাজের সমাধান এআই এর আর্শীবাদে এখন হাতের নাগালে। এতে করে চাকরির বাজারে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের পরিবর্তন, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে। তবে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

গোল্ডম্যান শ্যাক্সের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের হার ক্রমাগত কমে যাচ্ছে দিন দিন।

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে চ্যাটজিপিটির সূচনালগ্নে প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান ছিল সর্বোচ্চ। কিন্তু এরপর থেকেই চাকরি হারানোর হার বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০-৩০ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা জাতীয় গড় বেকারত্বের চারগুণেরও বেশি।

গোল্ডম্যান শ্যাক্স জানিয়েছে, এটি প্রমাণ করে যে প্রাথমিক স্তরের সাদা-কলার চাকরিতে এআই ধীরে ধীরে জায়গা দখল করে নিচ্ছে। 

বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ জ্যান হ্যাটজিয়াস মনে করেন, আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৬-৭ শতাংশ কর্মসংস্থান এআই দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এআই’র কারণে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ ০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে এবং অনেকে অন্য খাতে কাজের সুযোগ পাবেন।

এদিকে, বিষয়বস্তু তৈরি, গ্রাহক সেবা, প্রশাসন ও মানবসম্পদের মতো ক্ষেত্রে এআই’র ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব বিভাগে অপ্রয়োজন মনে করে কর্মী ছাঁটাই করছে। অ্যানথ্রপিকের দারিও আমোদেই ও অ্যামাজনের অ্যান্ডি জ্যাসির মতো প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ নেতারাও স্বীকার করেছেন যে, ভবিষ্যতে বহু সাদা-কলার পেশায় মানুষের জায়গা নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

তবে সবকিছু হারিয়ে যায়নি। এখনো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য মিলিয়ন ডলারের বেতন প্যাকেজ দিচ্ছে।

লিঙ্কডইনের তথ্য অনুযায়ী, “এআই ইঞ্জিনিয়ার” এখন সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা চাকরির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এরপরেই অবস্থান ডেটা সেন্টার টেকনিশিয়ান ও সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারের মতো পদের।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ