সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮


জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি খেলাফত মজলিসের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটি বলছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়বে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে রোববার রাতে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে।

খেলাফত মজলিসের নেতারা বলেন, সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে জনজীবনকে আরও বিপর্যস্ত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এতে মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। দেশে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের বেশি। এ সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে মূল্যস্ফীতি আরও এক দফা বাড়তে পারে।

তারা আরও বলেন, গত পাঁচ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। গতকাল আবারও তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এরপর হয়তো গ্যাসের দামও বাড়ানো হতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠবে।

বিবৃতিতে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে তারা বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে মাত্র ১৪ লাখ মানুষের বেতন ও জীবনমান বাড়লেও সিংহভাগ সাধারণ জনগণের অবস্থা এখনো করুণ।

তারা প্রশ্ন করেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা না থাকলে শুল্ক-কর আসবে কোথা থেকে? তাদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার যে পরিমাণ ভর্তুকি কমাবে, এর চেয়ে বেশি রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের জীবন-জীবিকা আরও দুর্বিষহ হয়ে পড়বে।

খেলাফত মজলিসের আমির ও মহাসচিব জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ