রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

প্রত্যেককে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও ঐক্যটা নিশ্চিত করতে হবে: জমিয়ত মহাসচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইনজামামুল হক

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, একেকটা রাজনৈতিক দলের পলিসি ও কর্মকৌশল একেক রকম হয়ে থাকে। এই বাস্তবতা মাথায় নিয়েই আমরা রাজনীতি করি। আগামী নির্বাচনে সমমনা ইসলামি দলসমূহের একজোট হওয়ার ব্যাপারে আমরা এখনো আশাবাদী, তবে এর জন্য মৌলিকভাবে কিছু কিছু জায়গায় একমত হওয়া অপরিহার্য।

আওয়ার ইসলামের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মাওলানা আফেন্দী বলেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার আগেই যদি এমন কিছু বিষয় সামনে আসে, যেগুলোতে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য হয়নি তাহলে সেগুলো তো কাঙ্ক্ষিত ঐক্যের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতেই পারে। ইসলাম ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আমাদের সিদ্ধান্ত ও কর্মপন্থা কী হওয়া উচিত? এগুলো তো আগে পরস্পরে বসে ঠিক করতে হবে! তাই না? পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে মৌলিক জায়গাগুলো ঠিক করার আগেই যদি এমন কিছু বিষয় সামনে আনা হয়, যেগুলোতে শরিকদের কারো আপত্তি আছে তাহলে গন্তব্যে যাওয়ার পথে সমস্যা তো একটু হবেই।

জমিয়ত মহাসচিব বলেন, আমার একটা দৃষ্টিভঙ্গিকে আপনি আপনার দলীয় ফোরামে সঠিক মনে করছেন না, অনুরূপভাবে আপনার কনসেপ্টকেও আমরা আমাদের দলীয় ফোরামে সঠিক মনে করছি না। এই যদি হয় বাস্তবতা, তাহলে তো অবশ্যই প্রত্যেককেই সাধ্যমত কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও ঐক্যটা নিশ্চিত করতে হবে। এতটুকু না হলে তো আর অগ্রসর হওয়া যায় না।

পিআর নিয়েই কি সংকটা তৈরি হলো? এমন প্রশ্নের উত্তরে জমিয়ত মহাসচিব বলেন, শুধু যে পিআরটাই একমাত্র সমস্যা তা নয়। আলোচনা-পর্যালোচনা করে গতিপথ ঠিক করাটা সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। পিআর একটা পদ্ধতি, যার ভালো-মন্দ উভয় দিক নিয়ে বিস্তর আলোচনা ও যুক্তিতর্ক হলেই না বিষয়টা একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে যে, এতে লাভের পরিমাণ বেশি না ক্ষতির পরিমাণটা বেশি? অমীমাংসিত ও মতভেদপূর্ণ বিষয়সমূহের পক্ষে-বিপক্ষে উভয় দিকেই তো যুক্তি থাকে।

এ কারণেই তো সময় নিয়ে শুনানি করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা যেমন সহায়ক হয়,বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিণতির ভাবনাটাও তেমন সহায়ক হয়। রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনাসংক্রান্ত কোনো বিষয়কেই আবেগের চশমা দিয়ে দেখা ঠিক নয়।

মাওলানা আফেন্দী আরও বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে এখনো চতুর্মাত্রিক চক্রান্ত হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষক মহল প্রবল ধারণা পোষণ করছেন। সুতরাং আমাদের সবার উচিত খুব বেশি করে দোয়ার আমল করা এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ