শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চাঁদার দাবিতে বিয়ে বাড়িতে হামলা নিজেকে ‘কুষ্টিয়ার ওপরওয়ালা’ দাবি করে ফের আলোচনায় আমির হামজা ‘মাধবদীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত প্রকাশ্য বিচার নিশ্চিত করুন’ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের শাস্তি নিশ্চিত করুন: ইসলামী আন্দোলন  ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্তক অবস্থানে রয়েছে সরকার’  বিএনপির সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও গণমাধ্যমিক সচেতনতাটা খুব দরকার নরসিংদীর শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় জমিয়ত ইসরায়েলি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানালো বাংলাদেশ একুশে বইমেলায় শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা আখুন্দজাদা নিহতের দাবি

২০২৬ সালে কতজন বাংলাদেশি হজ করতে পারবেন, জানা গেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

২০২৬ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিবন্ধিত হজযাত্রীরা এখন হজ পোর্টালের (hajj.gov.bd) মাধ্যমে পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে তাদের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। পাশাপাশি হজসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা নিবন্ধন যাচাইয়ের জন্য ১৬১৩৬ নম্বরের হজ কল সেন্টারও চালু রয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, নিবন্ধন শেষ হওয়ায় এখন ধাপে ধাপে হজ প্যাকেজ, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের তথ্য জানানো হবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনকে হজ করার সুযোগ দিয়েছিল সৌদি আরব। তবে হজে যেতে ৮৭ হাজার ১০০ জন নিবন্ধন করেছিলেন। সে হিসেবে আগামী বছরের হজ চুক্তিতে চলতি বছরের চেয়ে ৪৮ হাজার ৬৯৮ জন কমানো হয়।

খরচা বেড়ে যাওয়ায় ২০২৪ সালেও প্রায় ৩৩ শতাংশ কোটা পূরণ হয়নি, হজে গিয়েছিলেন ৮৫ হাজার ২৫৭ জন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ হবে।

সৌদি সরকারের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে ১২ অক্টোবর হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই সময় বাড়ানো হয়েছে চার দিন।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যারা হজে যেতে আগ্রহী, তাদের জন্য তিনটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

এর মধ্যে খাওয়া ও কোরবানিসহ বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আর, সাধারণ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে ব্যয় হবে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।

আর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্যাকেজ-১ এর মাধ্যমে হজ পালনে খরচ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা।

আর হজ প্যাকেজ-২ এ ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ টাকা ও হজ প্যাকেজ-৩ এ ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা খরচ ধরা হয়েছে।

এছাড়া ‘বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ’ শিরোনামে একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৯ হাজার ১৮৫ টাকা।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ