শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি আইন বাস্তবায়নে বাধা ক্ষমতার লোভ ও স্বার্থ: মাওলানা ফজলুর রহমান সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: জমিয়ত সভাপতি ফাজিল-কামিল মাদরাসায় সব ধরনের নিয়োগ বন্ধের নির্দেশ কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন জুমার খুতবার প্রস্তাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জুমার দুই খুতবার মাঝখানে কোন দোয়া পড়বেন? মৌলভীবাজার জেলা জমিয়তের নতুন কমিটি গঠন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেসব কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন পীর সাহেব চরমোনাই কক্সবাজারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ ছয় মাসে ৫৩৫২ মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মক্কা-মদিনার দুই পবিত্র মসজিদে আজ জুমার ইমামতি করবেন যারা

ফজরের পর না ঘুমানোর আত্মিক ও শারীরিক উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

ইসলাম ধর্মে ফজরের নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নামাজ পড়ার পর অনেকেই আবার ঘুমিয়ে পড়েন, যা শরীর ও আত্মার জন্য বিভিন্নভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। বরং ফজরের পর জাগ্রত থাকা ও সক্রিয়ভাবে সময় কাজে লাগানো—দুই দিক থেকেই উপকার বয়ে আনে।

১. আত্মিক উপকারিতা:

(ক) বরকতের দরজা খুলে যায়:  

রাসূল (সা.) বলেন, "হে আল্লাহ! আমার উম্মতের সকালের কাজে বরকত দান করো।" (তিরমিজি)। ফজরের পর কাজে মনোযোগ দিলে রিজিক ও আমল দুটোতেই বরকত আসে।

(খ) জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতের সময়: 

ফজরের পরকার সময়টি কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া, ইস্তেগফার ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ সময় আত্মা শান্ত হয় ও আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয়।

(গ) তাহাজ্জুদের আমল ধরে রাখা: 

ফজরের পর জেগে থাকলে রাতের ইবাদতের স্পিরিচুয়াল continuity বজায় থাকে। এতে ঈমান দৃঢ় হয়।

২. শারীরিক উপকারিতা:

(ক) মানসিক স্বচ্ছতা: 

ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জেগে থাকা মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়ায়। এতে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

(খ) হরম