মুহাম্মদ মিজানুর রহমান
ইসলাম ধর্মে ফজরের নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নামাজ পড়ার পর অনেকেই আবার ঘুমিয়ে পড়েন, যা শরীর ও আত্মার জন্য বিভিন্নভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। বরং ফজরের পর জাগ্রত থাকা ও সক্রিয়ভাবে সময় কাজে লাগানো—দুই দিক থেকেই উপকার বয়ে আনে।
১. আত্মিক উপকারিতা:
(ক) বরকতের দরজা খুলে যায়:
রাসূল (সা.) বলেন, "হে আল্লাহ! আমার উম্মতের সকালের কাজে বরকত দান করো।" (তিরমিজি)। ফজরের পর কাজে মনোযোগ দিলে রিজিক ও আমল দুটোতেই বরকত আসে।
(খ) জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতের সময়:
ফজরের পরকার সময়টি কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া, ইস্তেগফার ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ সময় আত্মা শান্ত হয় ও আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয়।
(গ) তাহাজ্জুদের আমল ধরে রাখা:
ফজরের পর জেগে থাকলে রাতের ইবাদতের স্পিরিচুয়াল continuity বজায় থাকে। এতে ঈমান দৃঢ় হয়।
২. শারীরিক উপকারিতা:
(ক) মানসিক স্বচ্ছতা:
ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জেগে থাকা মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়ায়। এতে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
(খ) হরম