শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

মাসবুক সাহু সেজদার সালামে শরিক হবে কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি

প্রশ্ন : আমরা জানি, মাসবুক ইমামের সাথে সাহু সেজদায় শরিক হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সাহু সেজদার যে সালাম আছে, তাতে মাসবুক শরিক হবে কি না? বিষয়টা একটু খোলাসা করলে কৃতার্থ হবো।

উত্তর : মাসবুক বলা হয়, যার শুরু থেকে এক বা একাধিক রাকাত ছুটে গিয়েছে। কাজেই তাকে ইমাম সালাম ফেরানোর পর ছুটে যাওয়া নামাজগুলো কাজা করতে হবে।

সুতরাং যেহেতু তার ওপর এখনও দু এক রাকাত বাকি রয়ে গেছে, তাই সে ইমামের সঙ্গে সাহু সেজদার সালামে শরিক হবে না। কারণ, ইচ্ছাকৃত সালাম ফেরালে নামাজ ভেঙে যায়। অবশ্য মাসবুক ইমামের সাহু সেজদায় শরিক হবে।

আর মাসয়ালা জানা না থাকার কারণে যদি সে ইমামের সাথে সাহু সেজদার সালামে শরিক হওয়া জরুরি মনে করে সাহু সেজদার সালামে শরিক হয়, সেক্ষেত্রেও তার নামাজ ভেঙে যাবে। কারণ, মাসয়ালা জানা না থাকার কারণে সে ইচ্ছাকৃতভাবে সালামে শরিক হয়েছে। এক্ষেত্রে মাসয়ালা সম্পর্কে অজ্ঞতাকে উজর হিসেবে গণ্য করা হবে না।

আর যদি মাসবুক ভুলবশত সাহু সেজদার সালামে শরিক হয়, তবে এক্ষেত্রে তিন সুরত:

এক. হয়তো ভুলে সে ইমামের আগে সালাম ফিরিয়েছে। এক্ষেত্রে তাকে পরবর্তীতে সাহু সেজদা করতে হবে না।

দুই. অথবা সে ভুলবশত ইমামের সাথে সাথে সালাম ফিরিয়েছে, তো এক্ষেত্রেও তাকে পরবর্তীতে সাহু সেজদা করতে হবে না।

তিন. আর যদি সে ভুলে ইমামের পরে সালাম ফেরায়, তবে তাকে তার ছুটে যাওয়া নামাজ আদায় করার শেষে সাহু সেজদা করতে হবে। কারণ, তার ভুলটা ইনফিরাদি (একাকী) অবস্থায় হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রথমোক্ত দুটি সুরত খুব কম ঘটে থাকে। সাধারণত তৃতীয় সুরতটিই অধিক সংঘটিত হয়।

রদ্দুল মুহতারে রয়েছে :

(قَوْلُهُ وَالْمَسْبُوقُ يَسْجُدُ مَعَ إمَامِهِ) قَيَّدَ بِالسُّجُودِ لِأَنَّهُ لَا يُتَابِعُهُ فِي السَّلَامِ، بَلْ يَسْجُدُ مَعَهُ وَيَتَشَهَّدُ فَإِذَا سَلَّمَ الْإِمَامُ قَامَ إلَى الْقَضَاءِ، فَإِنْ سَلَّمَ فَإِنْ كَانَ عَامِدًا فَسَدَتْ وَإِلَّا لَا، وَلَا سُجُودَ عَلَيْهِ إنْ سَلَّمَ سَهْوًا قَبْلَ الْإِمَامِ أَوْ مَعَهُ؛ وَإِنْ سَلَّمَ بَعْدَهُ لَزِمَهُ لِكَوْنِهِ

مُنْفَرِدًا حِينَئِذٍ بَحْرٌ، وَأَرَادَ بِالْمَعِيَّةِ الْمُقَارَنَةَ وَهُوَ نَادِرُ الْوُقُوعِ كَمَا فِي شَرْحِ الْمُنْيَةِ. وَفِيهِ: وَلَوْ سَلَّمَ عَلَى ظَنِّ أَنَّ عَلَيْهِ أَنْ يُسَلِّمَ فَهُوَ سَلَامُ عَمْدٍ يَمْنَعُ الْبِنَاءَ.

[ابن عابدين ,الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) ,2/83]

 

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি

প্রশ্ন : আমরা জানি, মাসবুক ইমামের সাথে সাহু সেজদায় শরিক হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সাহু সেজদার যে সালাম আছে, তাতে মাসবুক শরিক হবে কি না? বিষয়টা একটু খোলাসা করলে কৃতার্থ হবো।

উত্তর : মাসবুক বলা হয়, যার শুরু থেকে এক বা একাধিক রাকাত ছুটে গিয়েছে। কাজেই তাকে ইমাম সালাম ফেরানোর পর ছুটে যাওয়া নামাজগুলো কাজা করতে হবে।

সুতরাং যেহেতু তার ওপর এখনও দু এক রাকাত বাকি রয়ে গেছে, তাই সে ইমামের সঙ্গে সাহু সেজদার সালামে শরিক হবে না। কারণ, ইচ্ছাকৃত সালাম ফেরালে নামাজ ভেঙে যায়। অবশ্য মাসবুক ইমামের সাহু সেজদায় শরিক হবে।

আর মাসয়ালা জানা না থাকার কারণে যদি সে ইমামের সাথে সাহু সেজদার সালামে শরিক হওয়া জরুরি মনে করে সাহু সেজদার সালামে শরিক হয়, সেক্ষেত্রেও তার নামাজ ভেঙে যাবে। কারণ, মাসয়ালা জানা না থাকার কারণে সে ইচ্ছাকৃতভাবে সালামে শরিক হয়েছে। এক্ষেত্রে মাসয়ালা সম্পর্কে অজ্ঞতাকে উজর হিসেবে গণ্য করা হবে না।

আর যদি মাসবুক ভুলবশত সাহু সেজদার সালামে শরিক হয়, তবে এক্ষেত্রে তিন সুরত:

এক. হয়তো ভুলে সে ইমামের আগে সালাম ফিরিয়েছে। এক্ষেত্রে তাকে পরবর্তীতে সাহু সেজদা করতে হবে না।

দুই. অথবা সে ভুলবশত ইমামের সাথে সাথে সালাম ফিরিয়েছে, তো এক্ষেত্রেও তাকে পরবর্তীতে সাহু সেজদা করতে হবে না।

তিন. আর যদি সে ভুলে ইমামের পরে সালাম ফেরায়, তবে তাকে তার ছুটে যাওয়া নামাজ আদায় করার শেষে সাহু সেজদা করতে হবে। কারণ, তার ভুলটা ইনফিরাদি (একাকী) অবস্থায় হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রথমোক্ত দুটি সুরত খুব কম ঘটে থাকে। সাধারণত তৃতীয় সুরতটিই অধিক সংঘটিত হয়।

রদ্দুল মুহতারে রয়েছে :

(قَوْلُهُ وَالْمَسْبُوقُ يَسْجُدُ مَعَ إمَامِهِ) قَيَّدَ بِالسُّجُودِ لِأَنَّهُ لَا يُتَابِعُهُ فِي السَّلَامِ، بَلْ يَسْجُدُ مَعَهُ وَيَتَشَهَّدُ فَإِذَا سَلَّمَ الْإِمَامُ قَامَ إلَى الْقَضَاءِ، فَإِنْ سَلَّمَ فَإِنْ كَانَ عَامِدًا فَسَدَتْ وَإِلَّا لَا، وَلَا سُجُودَ عَلَيْهِ إنْ سَلَّمَ سَهْوًا قَبْلَ الْإِمَامِ أَوْ مَعَهُ؛ وَإِنْ سَلَّمَ بَعْدَهُ لَزِمَهُ لِكَوْنِهِ

مُنْفَرِدًا حِينَئِذٍ بَحْرٌ، وَأَرَادَ بِالْمَعِيَّةِ الْمُقَارَنَةَ وَهُوَ نَادِرُ الْوُقُوعِ كَمَا فِي شَرْحِ الْمُنْيَةِ. وَفِيهِ: وَلَوْ سَلَّمَ عَلَى ظَنِّ أَنَّ عَلَيْهِ أَنْ يُسَلِّمَ فَهُوَ سَلَامُ عَمْدٍ يَمْنَعُ الْبِنَاءَ.

[ابن عابدين ,الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) ,2/83]

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ