রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

মাগরিবের পর দারুল উলুম দেওবন্দে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্ববিখ্যাত দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দে মাগরিব ও এশার নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে বাইরের লোকজনের ক্যাম্পাসে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে জরুরি প্রয়োজন, বিশেষ অতিথি কিংবা স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশেষ প্রয়োজনে প্রবেশের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

দারুল উলুম কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, যেসব ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বা তালিমি সম্পর্ক নেই, মূলত তাদের ক্ষেত্রেই এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে দারুল উলুমের নাজেমে ইকামাহ মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, দারুল উলুম একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মাগরিব থেকে এশার মধ্যবর্তী সময়টি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত শিক্ষার পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিছু ব্যক্তি শিক্ষার্থীর ছদ্মবেশে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে চুরি ও অন্যান্য অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছে। এসব ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতেই এই নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, দেওবন্দ শহরের কোনো নাগরিক যদি জরুরি বা বিশেষ প্রয়োজনে ক্যাম্পাসে আসেন, তাহলে তাদের প্রবেশে কোনো বাধা থাকবে না। একইভাবে বাইরে থেকে আগত অতিথি, জরুরি পরিস্থিতি কিংবা বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও মাগরিব ও এশার পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করা যাবে।

এ বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিরও অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেছেন মুফতি আশরাফ আব্বাস। তিনি বলেন, জারিকৃত নির্দেশিকায় কোথাও ‘শহরবাসী’ শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। তাই এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কিছু মহলে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য কখনোই দেওবন্দের বাসিন্দাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন নয়। বরং ঐতিহাসিক এই শহরের জনগণের প্রতি প্রতিষ্ঠানের সম্মান আগের মতোই অটুট রয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো ক্যাম্পাসের তালিমি শৃঙ্খলা বজায় রাখা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের জন্য শান্ত ও অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ সংরক্ষণ করা।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ