রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর হারিয়ে যাওয়া জমজম কূপের সন্ধান ‘সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে’  বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী জুয়া-অশ্লীলতা বন্ধের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করল কুমিল্লার ৭ ইসলামি সংগঠন পাঞ্জাবি ছিঁড়ে মাওলানা আনিসুর রহমানের ঘোষণা- ‘খতমে নবুওয়াতের জন্য জীবন উৎসর্গ করব’ প্রশিক্ষিত মুয়াজ্জিন সেবা চালু করেছে আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট আল-আজহার মসজিদে কুরআন পরীক্ষায় অংশ নিলেন ২৪০০ শিক্ষার্থী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণসভায় হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে নেওয়া ঠিক হবে না

গাজাবাসীকে আফ্রিকায় পাঠানোর পরিকল্পনা ইসরায়েলের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের আফ্রিকায় পাঠানোর পরিকল্পনা করছে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েল। এ ব্যাপারে তারা কঙ্গোসহ আফ্রিকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে গোপন আলোচনা করছে জানা গেছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তথ্যানুযায়ী, এসব দেশকে ইসরায়েল আহ্বান জানিয়েছে তারা যেন ফিলিস্তিনিদের শরণার্থী হিসেবে গ্রহণ করে। এর মধ্যে কঙ্গো রাজিও হয়েছে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দামন্ত্রী জিলা গ্যামলিল বলেছেন, “যুদ্ধশেষে গাজায় হামাস শাসনের পতন ঘটবে। বর্তমানে সেখানে পৌর কর্তৃপক্ষ নেই এবং গাজার সব মানুষ পুরোপুরি মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।”

তিনি আরও বলেছেন, “গাজায় কোনও কাজ থাকবে না এবং গাজার ৬০ শতাংশ কৃষি জমি নিরাপত্তা বাফার জোনে পরিণত হবে।”

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গেভির ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদের ব্যাপারে দৌঁড়ঝাপ করছেন। তারা এ ব্যাপারে বিভিন্ন বক্তব্যও দিয়েছেন।

তবে উগ্রবাদী এসব ইসরায়েলি মন্ত্রীদের কড়া সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানি। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরামর্শক জ্যাক সুলিভান বলেছেন, গাজা ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড এবং এটি তাদেরই থাকবে।

অপরদিকে ফ্রান্স বলেছে, ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরানোর কথা বলে উগ্রপন্থী ইতামার বেন গেভির উত্তেজনা উস্কে দিচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে ইসরায়েলি মন্ত্রীদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স।

দেশটি আরও বলেছে, জোরপূর্বক নাগরিকদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। ফিলিস্তিনিরা কোথায় থাকবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে সেটি একমাত্র তারাই নির্ধারণ করবে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটির, আনাদোলু এজেন্সি, টাইমস অব ইসরায়েল

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ