ড. মুফতী মাসুম বিল্লাহ ফিরোজী
ওয়াজ, নসিহত, দীনি মজলিসের ধারা মহানবী রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবাদের যুগ থেকে চলমান থাকলেও ওয়াজ মাহফিল বা ইসলামি জলসার প্রচলিত রূপের আবির্ভাব ঘটেছে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে। ঐতিহাসিক ভাষ্যমতে বাংলাদেশসহ ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ১৯০৬ খৃষ্টাব্দে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়, দেওবন্দী আলেম শাহ মোহাম্মদ ইবরাহীম আলী তশনা (ইব্রাহিম তশ্না) রহ. এর মাধ্যমে ধর্মীয় এই সংস্কৃতির সূচনা হয়। সম্পূর্ণ সাদামাটাভাবে খালেস দ্বীনে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হলেও ধীরেধীরে এটি একটি আড়ম্বরপূর্ণ স্বতন্ত্র শিল্পে রূপ নিয়েছে। বিশেষত শীতের মৌসুমে শহর-বন্দর ও গ্রাম-গঞ্জে এর ব্যপক আয়োজন দেখা যায়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য হলো যে, বর্তমানে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই সুন্দর আয়োজনের মধ্যে প্রবেশ করেছে নানাবিধ কুসংস্কার ও অনিয়ম। কোথাও কোথাও ঘটছে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ও নানা বিতর্ক। এজন্য সময় এসেছে একে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রণ করার। প্রয়োজন রয়েছে এবিষয়ে সকলের গভীরভাবে ভাবার। এই নিবন্ধে এর ২টি দিক (তথাঃ ১. ওয়াজ মাহফিলের সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ। ২. ওয়াজ মাহফিল সামাজিক অর্থনীতির সম্ভাবনাময় একটি উপকরণ) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ওয়াজ মাহফিলের সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ:
যদি কোনো কাজ বা অনুষ্ঠান তার সীমাপরিসীমা থেকে নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায় এবং তাতে নানা অনিয়ম ও অন্যায় ঢুকে যায়, তখন তাকে রাষ্ট্রীয় বা সামাজিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী হয়ে পড়ে। আমাদের দেশের ওয়াজ মাহফিলও সেরকম একটি ধ্বংস প্রায়, বা হুমকির মুখে পড়া একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দিন দিন এই সংস্কৃতি তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারাতে বসেছে। তারমধ্যে ঢুকে পড়েছে নানা অনিয়ম ও অন্যায়। আয়োজনের শুরু থেকে একদম পরিসমাপ্তি পর্যন্ত এতে এমন সব অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড ও অপসংস্কৃতির প্রবেশ ঘটেছে, যার কারণে সমাজের ভদ্র ও রুচিশীল নাগরিকগণ একে বর্জন করা শুরু করেছেন। নিম্নে কিছু অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হলো:
১- চাঁদা তোলার অনিয়ম: মাহফিলকে কেন্দ্র করে শুরুতেই যে অনিয়ম লক্ষ্য করা যায় তা হলো, চাঁদা কালেকশনের ভুল পদ্ধতি। প্রথমতঃ আয়োজকরা অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে কোনো নিয়মনীতি বা বাছবিচারের তোয়াক্কা না করে ব্যাপকভাবে চাঁদা সংগ্রহ করেন। অনেকক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও পাওয়া যায়। অথচ দ্বীনি কাজে কারো সন্তুষ্টি ছাড়া তার সম্পদ আহরণ বৈধ নয়। দ্বিতীয়ত, মাদরাসার ছোট ছোট শিশু ছাত্রদের দিয়ে বা লোক ভাড়া করে ভিক্ষুকের মতো পথেঘাটে চাঁদা কালেকশন করা হয়, যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ও নিচু রুচির পরিচয়ক। এর দ্বারা দ্বীনের ইহানত হয়। সাধ্যের বাহিরে গিয়ে জবরদস্ত বাজেট করে বড় বড় প্যান্ডেল, নামীদামী বক্তা ও শিল্পী দাওয়াত দিয়ে সভা- অনুষ্ঠান করা কৃত্রিমতা, অপচয় ও অতিরঞ্জন ছাড়া কিছুই না। এই কাজ অবশ্যই বর্জনীয়। যেকোনো উপায়ে একে নিয়ন্ত্রন করা উচিত।
২- অতি বাজেটে নকল বক্তা দাওয়াতের প্রবণতা: বর্তমানে মাহফিল গুলোতে ইলম- আমলহীন শুধুমাত্র পেশাদার বক্তা দাওয়াত দেয়া হয়। গলাবাজি ও কন্ঠ বিক্রি ছাড়া তাদের আর কোনো পুঁজি বা যোগ্যতা থাকে না। ফলে তাদের দ্বারা শ্রোতাদের নিছক উপভোগ ছাড়া আর কোনো উপকার হয় না। বরং কোথাও কোথাও ওয়াজের মঞ্চকে সিনেমা, থিয়েটার, বা যাত্রাপালা মঞ্চের মতো (চোখ-কানের তৃপ্তির মাধ্যমে) সাময়িক মনোরঞ্জনের উপকরণ হিসেবে উপস্থাপিত হতে দেখা যায়। বক্তাদের ব্যক্তিগত অবস্থা তো আরো খারাপ। অতিরিক্ত চাহিদা, অগ্রীম (এডভান্স) দাবি। তাছাড়া কিছু বক্তার ব্যাক্তিগত আমলী জীবনের অন্ধকার ও কলঙ্কিত চিত্র এই শিল্প ধ্বংসের জন্য একটি অশনি সংকেত বহন করে। তাদের বয়ানে নেই ভালো কোনো বার্তা, নাই কোনো রূহানিয়্যাত। না আছে তাতে কুরআন- হাদীছের জ্ঞানভাণ্ডার, না আছে তথ্য নির্ভর জ্ঞানগর্ভ কোনো আলোচনা। কোনো কোনো মাহফিলে গান-বাদ্য, অভিনয় ও উদ্ভট পদ্ধতির যিকিরসহ নানা আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। যা আমাদের সমাজের মানুষের (বিশেষতঃ আয়োজকদের) অজ্ঞতা ও মূর্খতাকেই ইঙ্গিত করে।
মাহফিলের উদ্দেশ্যেই আজ ব্যহত। যেখানে ওয়াজ-মাহফিলের মূল উদ্দেশ্য হওয়ার কথা ছিলো, মানুষের হেদায়েত, মানবিক চরিত্র সংশোধন, আত্মিক পরিবর্তন ও উৎকর্ষ সাধন। সেখানে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। প্রতিষ্ঠানের চাঁদা উত্তোলন, পীর-দরবারের শক্তি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসহ নানা অনুচিত উদ্দেশ্যে মাহফিলকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এখানে যোগ্য, খোদা ভীরু আল্লাহ ওয়ালা আলেমের পরিবর্তে (গলাবাজ) কন্ট্রাক্ট বক্তার ছড়াছড়ি বেশি। আমাদের বিজ্ঞ সমাজকে এবিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। সরকারি বা স্থানীয়ভাবে এর প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবি।
৩- দ্বীনি সমাবেশকে দুনিয়াবী স্বার্থে ব্যবহার: ওয়াজ মাহফিল একটি নিরেট দ্বীনি অনুষ্ঠান। মানুষকে ধর্মীয় বিষয়ে সচেতন করা, দ্বীনি কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা, হৃদয় বিগলিত করে অন্তরকে আল্লাহ মুখী ও আখেরাত মুখী করা, এগুলো হচ্ছে ইসলামি জলসা সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সমাজ সেখান থেকে যোজন যোজন দূরে সরে গেছে। মাহফিলের বাস্তব ময়দানে গেলে দেখা যায় এর অধিকাংশ আয়োজন নিছক দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে করা হয়। হয়তো প্রতিষ্ঠানের চাঁদা কালেকশন, না-হয় বার্ষিক আনুষ্ঠানিকতা বা খাওয়াদাওয়ার আয়োজন, অথবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। ইদানীং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটাই বেশি প্রকট ও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ ও মঞ্চায়ন ওয়াজ মাহফিলের স্বকীয়তা কে নষ্ট করে দিয়েছে। এর থেকে উত্তরনের চেষ্টা আমাদের এখুনি করা উচিত। ওয়াজ- মাহফিলকে তার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনা সময়ের আবেদন।
শব্দদূষণ: বর্তমানে বিভিন্ন অঞ্চলে, শহর বন্দর ও গ্রাম-গঞ্জে ওয়াজ মাহফিলের ব্যপক আয়োজন দেখা যায়। বিষয়টি বাহ্যিকভাবে উপকারী ও প্রশংসনীয় হলেও এরমধ্যে নানা ধরনের অনিয়মের কারণে অসুন্দর হয়ে গেছে। এমনই একটি অনিয়ম হলো অতিরিক্ত সাউন্ড ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দদূষণ। মাহফিলের জন্য নির্ধারিত জায়গা বা প্যান্ডেল থাকলেও এরজন্য ব্যবহৃত মাইক/ সাউন্ড বক্স দূরদূরান্তে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এক্ষেত্রে আবাসিক এলাকার অসুস্থ- রুগী, বাচ্চা, পরীক্ষার্থীদের বিষয়টিও বিবেচনা করা হয় না। অথচ ওয়াজ মাহফিলের (ব্যপক প্রচার সম্পন্ন করে) সাউন্ড সিস্টেম কে শুধুমাত্র ওয়াজের এরিয়ায় মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই যথেষ্ট। অতিরিক্ত সাউন্ড ব্যবহার করে মানুষের বিরক্তির কারণ ঘটলে তাতে ইতিবাচকের চেয়ে নেতিবাচক ফলাফল বেশী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেউ কেউ তো ওয়াজ-মাহফিল কে গান-বাদ্য, সিনেমা-নাটক বা ব্যান্ডের আসরের সাথে তুলনা করেন করে বলেনঃ তারা পারলে আমরা পারবোনা কেন? তারা করলে আমরা করবো না কেন? অথচ এই কথা এখানে একেবারেই বেমানান ও অসমঞ্জস্য। ওদের কাজ হলো নিছক উপভোগ। শয়তানকে খুশী করা। তারা মানুষকে হেদায়াতের পথে আনার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করে না। পক্ষান্তরে ওয়াজ মাহফিল হলো একেবারে নিরেট দ্বীনি কাজ। মানুষের হেদায়াতের চেষ্টা। সুতরাং এখানে মানুষকে কষ্ট দিয়ে, বিরক্ত করে কখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব না। অতএব আমাদের সংযত হতে হবে। সীমাহীন ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে।
সমাধান বা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি: উল্লেখিত অনিয়মসহ ওয়াজ মাহফিলের সকল বিশৃঙ্খলা ও আপত্তিকর বিষয় এড়াতে অবশ্যই একটি শক্তিশালী কমিশন বা সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। দেশের বিভিন্ন মতাদর্শের শীর্ষস্থানীয় যুগ সচেতন আলেম ও সরকারি প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মাধ্যমে ওয়াজ মাহফিলের সংস্কৃতিকে তার সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
আমাদের দেশে ওয়াজের ময়দানে মূলত তিন ধারার আলেম রয়েছেন। সুন্নি/ ব্রেলভী, দেওবন্দী ও জামাতপন্থী। এছাড়া ইদানীং আহলে হাদীছ সম্প্রদায়েরও কিছু কিছু অনুষ্ঠান দেখা যায়। প্রতিটি ধারা থেকে নির্বাচিত বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাপূর্ন ও উদার কিছু ওলামা-মাশায়েখদের সমন্বয়ে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় বা তদের সহযোগিতায় একটি শক্তিশালী কমিটি বা সংস্থার সৃষ্টি এখন খুবই প্রয়োজন। তারা নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে এর আলোকে দেশের ওয়াজ-মাহফিলকে সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
ওয়াজ মাহফিল সামাজিক অর্থনীতির সম্ভাবনাময় একটি উপকরণ
আমাদের দেশ একটি গরীব বা স্বল্পোন্নত দেশ। এখানে গরীব শ্রেণীর আধিক্য বেশী। ২০১৯ইং সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০.৫% ভাগ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে রয়েছে, যা কোনো কোনো রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালে এসে ২৮.৯৩% এসে দাড়িয়েছে। দারিদ্রতার এমন পরিস্থিতিতে আমরা সামাজিক বা ধর্মীয় যেকোনো অনুষ্ঠানের মধ্যে অর্থনৈতিক লাভ খুঁজে দেখতে পারি। প্রতি বছর এদেশে হাজার হাজার ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হয়। কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়। অথচ সম্মিলিত চেষ্টায় সুন্দর অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই খাত থেকে একটি বড় ফান্ড তৈরী করা সম্ভব। যা দারিদ্র বিমোচন, বিশেষতঃ মৌসুমি শীতবস্ত্র বিতরণে কার্যকরী ভুমিকা রাখতে পারে।
আমরা সচরাচর দেখি মাহফিল উপলক্ষে প্রকাশ্যে/ অপ্রকাশ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা কালেকশন করা হয়। আবার মাহফিল স্থলে নানা ধরণের অস্থায়ী দোকানপাট প্রস্তুত করা হয়। এই অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে একটি পরিকল্পিত নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে, এর আয় দিয়ে একটি “দরিদ্র ফান্ড” বা “সেবা ফান্ড” তৈরী করা সম্ভব। সৌদি আরব সহ পৃথিবীর বিভিন্ন পর্যটন এরিয়ায় এধরণের অনেক উদাহরণ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ: প্রতিটি মাহফিল উপলক্ষে যে চাঁদা কালেকশন হয়, তার একটা ছোট্ট পার্সেন্ট (৫%/১০%) দরিদ্র্য তহবিলে জমা দেয়া যেতে পারে। অন্যদিকে মাহফিল কেন্দ্র করে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্টল, অস্থায়ী দোকান-পাট বা বিপনি কেন্দ্র চালু করে সেখান থেকে আয়ের একটা অংশ গোরাবা ফান্ডে জমা দিয়ে স্থানীয় অসহায় গরিবদুঃখীদের সহায়তা করা যেতে পারে। অন্ততঃ শীতকালীন ওয়াজের মৌসুমে বিনামূল্যে/ স্বল্প মূল্যে শীতবস্ত্র বিতরণ তো করা যেতে পারে।
শেষকথা: উপরের আলোচনায় যে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তার সারসংক্ষেপ হলো, আমাদের দেশের লাগামহীন ওয়াজ-মাহফিলের সংস্কৃতিকে একটি নির্ধারিত বলয় ও নিয়মনীতির আওতায় আনা জরুরী হয়ে পড়েছে। এরজন্য দেশের শীর্ষ আলেম ও সরকারের ধর্ম বা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মনযোগ দেয়া প্রয়োজন। ওয়াজ মাহফিল কে নিছক একটা শিল্পের রঙ না দিয়ে দ্বীনি আবেগ ও সামাজিক নীতিনৈতিকতা উন্নয়নের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা উচিৎ। আড়ম্বরতা, খরচের অতি বাড়াবাড়ি, শব্দের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এর থেকে কিছু আয়ের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন বা সমাজের মৌসুমি প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। এরজন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টা। আল্লাহ তায়ালা তাওফিক দাতা।
লেখক: উস্তাযুল হাদীস ও বিভাগীয় প্রধান (ফিকহ ও ইসলামী অর্থনীতি), জামেয়াতুল ইমাম মুসলিম রহ. কক্সবাজার; পিএইচডি (ইসলামী অর্থনীতি), মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব
আরএইচ/