মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

বিএনপি! তাকে থামান, না হয় জনগণ ব্যবস্থা নেবে 


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মোছা. নুসরাত জাহান মারিয়া ||

কথিত বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। তিনি মাদরাসা ছাত্রদের দরিদ্র বলে একের পর এক তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে যাচ্ছেন। মৃত মানুষকে নিয়ে কথা বললাম না। তার এলাকায় (কিশোরগঞ্জের ইটনা) খবর নিলেই জানতে পারবেন‌ তার দাদা ও বাবার পেশা কী ছিল। রাজা মহারাজা ছিল নাকি দিনমজুর নাকি আরও নিম্ন কোনো‌ পেশার। 

তার দৃষ্টিতে আলেমদের ইসলাম ভালো না। কিন্তু ফাইট্টা যায় মমতাজের সুফিবাদের মতো (গান বাজনাসহ) আর গাঁজা সেবনের সুফিবাদের ইসলাম ভালো।

তার মতে সম্প্রতি পতিতাদের কাজকে পেশার স্বীকৃতির দাবির মতো প্রগ্রেসিভ (প্রগতিশীল বা উদার) দাবির বিপক্ষে কথা বলায় আলেমদের পেটে না ধরার জন্য নারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, আলেমদের প্লেটে ভাত-তরকারি না দেবার দাবি করেছেন। তার আশা, লক্ষ কোটি মহিলা আলেমদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবে। মিস্টার ফজলুর মনে রাখা দরকার, এটা একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশ। এখনকার নারীরা অনেক সচেতন। ফজলুর দৃষ্টিতে পতিতার কাজ সম্মানের হতে পারে, কিন্তু বর্তমানের আধুনিক ও শিক্ষিতা নারীরা পতিতা হতে চায় না, এ কাজকে নারীর জন্য অপমানের বিষয় মনে করে। আলেমদের বিরুদ্ধে তো সচেতন নারীরা যাবেই না, বরং ফজলুর মতো যারা ওই অপমানের কাজের দাবিকে প্রগ্রেসিভ মনে করে তাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ নারী একদিন রাস্তায় নামবে।

মুক্তিযোদ্ধা বলে মিনিমাম শ্রদ্ধাটুকু দেখাচ্ছে। না হলে এতদিনে হয়তো নারীরা জুতায় পায়খানা মেখে এ জাহেলের কপালে পারতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাকি উচ্চতর মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। মানে মাদরাসা ছাত্ররা এখানে বাড়ছে। বলদ আজ যে দলের আশ্রয়ে এসব বলে যাচ্ছে, সে দলের প্রতিষ্ঠাতা চাইতেন ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিতরা নানা সেক্টরে ছড়িয়ে পড়ুক। আর এজন্যই ইসলামি শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে জাতীয় নেতৃত্ব দেবার মতো নাগরিক তৈরির জন্য তিনি (মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

এসব বক্তব্য দেবার পরও বিএনপি যদি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, জনগণ ব্যবস্থা নেবে। থামান নয়তো ব্যবস্থা নিন। না হলে নারীরা জুতাপেটা করলে তখন মন খারাপ করবেন না।

লেখিকা: অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ