মার্কেটের পাঁচ তলার একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করতেন শাহেদ। আগুনে যখন চারদিক ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। তখন মার্কেট থেকে বের হতে না পেরে বাথরুমে আশ্রয় নেন তিনি।
সেখানেই দম বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর বর্ণনা দেন শাহেদের ভাই আল আমিন।
তিনি বলেন, পাঁচ তলার একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করতো আমার ভাই। আগুন দেখে নিচে নামার চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু ধোঁয়ার কারণে নামতে পারেনি। বাঁচার জন্য একটি বাথরুমে ঢুকেছিল, সেখানেই দম বন্ধ হয়ে মারা যায়।
আল আমিন বলেন, ফায়ার সার্ভিস ঠিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ করতে পারলে আমার ভাইয়ের কিছু হতো না। আগুন লাগার পর মার্কেটের অনেককে উদ্ধারে আমি কাজ করেছি। কিন্তু মার্কেটের ভেতরের রাস্তাগুলো এতো সরু যে ফায়ার সার্ভিসতো দূরের কথা, আমরা যারা আগুন নেভানোর কাজে গিয়েছি সবার অনেক কষ্ট হয়েছে।
আজওয়ার টেলিকম নামে যে দোকানটিতে শাà