মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের ‘তিন-চার বছরের মধ্যে মসলা জাতীয় পণ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে’  ‘ভারতের মুসলমানরা বাইরের কেউ নন, আমাদেরই ভাই’ ‘স্বপ্নসিঁড়ির’ নাতে রাসুল প্রতিযোগিতা, ওমরাহসহ লক্ষাধিক টাকার পুরস্কার

নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বয়স যে মানুষের কল্যাণমূলক কাজের পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করেছেন মালাবির ৮৬ বছর বয়সী চিখওয়ায়া কামুলোনি। নিজের জীবনের প্রায় পুরো সঞ্চয়ে ৩ কোটি ৫০ লাখ মালাবিয়ান কোয়াচা (প্রায় ২০ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার) ব্যয়ে নিজ গ্রামের মানুষের জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন তিনি।

মালাবির মাঙ্গোচি জেলার চিলোম্বো গ্রামে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় মুসল্লিদের একটি অস্থায়ী কাঠামোয় নামাজ আদায় করতে দেখে তাদের জন্য স্থায়ী একটি ইবাদতের স্থান নির্মাণের উদ্যোগ নেন কামুলোনি।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। দীর্ঘ কয়েক মাসের পরিশ্রম ও নিজের অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে অবশেষে মসজিদটির নির্মাণ সম্পন্ন করেন তিনি।

কামুলোনি জানান, আল্লাহ তাকে দীর্ঘ জীবন দিয়েছেন এবং ৮৬ বছর বয়স পর্যন্ত সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছেন—এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবেই তিনি মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। তাঁর কাছে এটি শুধু একটি ভবন নয়, বরং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি স্থায়ী নিদর্শন।

গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর ফলে চিলোম্বো গ্রামের মুসল্লিরা এখন নিজেদের বাড়ির কাছেই একটি স্থায়ী মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায়ের সুযোগ পেলেন।

নিজের জীবনের অর্জনকে সমাজের মানুষের জন্য ব্যয় করে কামুলোনি দেখিয়ে দিলেন—মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। তাঁর এই উদ্যোগ স্থানীয় মুসলিমদের জন্য যেমন স্বস্তি এনেছে, তেমনি অন্যদের জন্যও হয়ে উঠেছে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

সূত্র: এবাউট ইসলাম

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ