বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮


কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যাঁরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২৬), ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি পবিত্র মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদে জুমার নামাজের খতিব নির্ধারণ করেছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। মসজিদুল হারামে ইমামতি করবেন শায়খ আবদুল্লাহ আওয়াদ আল-জুহানি এবং মসজিদে নববীতে ইমামতি করবেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি।

শায়খ আবদুল্লাহ আওয়াদ আল-জুহানি ১৯৭৬ সালে পবিত্র মদিনা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবেই তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোরআন অনুষদে পড়াশোনা করেন এবং উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। মক্কায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা ও মসজিদে কিবলাতাইনে ইমামতি করেছেন। ২০০৫ সালে রাজকীয় সিদ্ধান্তে মসজিদুল হারামে তারাবির নামাজে ইমামতির দায়িত্ব পান। এরপর থেকে তিনি মসজিদুল হারামের অন্যতম প্রধান ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর সুমধুর ও হৃদয়স্পর্শী কোরআন তিলাওয়াত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি ১৯৪৭ সালে মক্কা অঞ্চলের আল-আরদিয়াত এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৌদি সেনাবাহিনীতে ইমাম ও খতিব ছিলেন। শৈশবেই তিনি কোরআন হিফজ করেন এবং পরবর্তীতে ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চতর অধ্যয়ন করেন। তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তাফসির, তাওহিদ, ফিকহ, বিভিন্ন মাজহাব ও কিরাত বিষয়ে পাঠদান করেছেন। কোরআন তিলাওয়াত ও কিরাতের ক্ষেত্রে তিনি সৌদি আরব ও মুসলিম বিশ্বের অন্যতম পরিচিত কারি হিসেবে বিবেচিত। শায়খ হুযাইফি প্রথমে মসজিদে কুবায় ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব নিযুক্ত হন। ১৯৮১ সালে কিছু সময়ের জন্য মসজিদুল হারামে ইমামতির দায়িত্ব পালন করলেও ১৯৮২ সালে পুনরায় মসজিদে নববীতে ফিরে আসেন এবং এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া তিনি মদিনা মুসহাফ পর্যালোচনার বৈজ্ঞানিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং কিং ফাহদ কোরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্সের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে তিনি আরাফার মসজিদে নামিরায় খুতবা দেওয়ার দায়িত্বও পালন করেন।

সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

টিএইচএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ