মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা ঐক্যে যোগ দিতে পারে আরও যেসব দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি’-র পরিধি আরও বাড়াতে চাচ্ছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোযগানের ইচ্ছা অনুযায়ী, এই জোট শুধু এই তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও অনেক দেশকে এই নিরাপত্তার ছাতার নিচে নিয়ে আসা হবে।

ন্যাটোর আদলে তৈরি এই জোটে নিয়ম রাখা হয়েছে যে তিন দেশের যেকোনো একজনের ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে। তবে এই জোটে নতুন করে আর কোন কোন দেশ যোগ দিতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

এই জোটে নতুন সদস্য হিসেবে সবার আগে মিশরের নাম আলোচিত হচ্ছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান মিশরকে এই জোটের ‘প্রাকৃতিক অংশীদার’ বলেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে ছোটখাটো কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা মিটে গেলেই মিশর এতে যোগ দেবে। সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও মিশরের সম্পর্ক কিছুটা ভালো হলেও, বিশ্লেষকদের মতে মিশরের জন্য এই জোটে জড়ানো খুব একটা সহজ হবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিশরের যে পুরোনো সম্পর্ক এবং শান্তি চুক্তিগুলো আছে, তা যেন এই জোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সে বিষয়ে কায়রো অত্যন্ত সতর্ক। মিশর এমন কোনো চুক্তিতে জড়াতে চাইবে না যা তাদের জোর করে অন্য কারো যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে।

এছাড়া ইসরাইল কিংবা লিবিয়া ইস্যুতে তুরস্কের সঙ্গে মিশরের কিছু মতপার্থক্য থাকায়, আইনি ও নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই কেবল তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

মিশরের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোরও এই জোটে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি আশা প্রকাশ করেছেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সব দেশই যেন এই জোটে যোগ দেয়। তুরস্ক জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করা বেশ কিছু দেশ ইতোমধ্যে এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কাতার এবং কুয়েতের এই জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কারণ সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের পর এই দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত এবং বাড়তি নিরাপত্তার জন্য তারা এমন জোটে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানের মতো দেশগুলোও খুব দ্রুত এই জোটে চলে আসতে পারে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই জোট রাতারাতি বিশাল কোনো সামরিক শক্তি হয়ে উঠবে না, বরং পরিস্থিতি বুঝে এক এক করে বিভিন্ন দেশ এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ