নুরুদ্দীন তাসলিম।।
সম্প্রতি টাঙ্গাইলের রবীন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও লক্ষ্মীপুরের কাজির দিঘীর পাড় আলিয়া মাদরাসায় শিক্ষকের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা দুটি বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনলাইন-অফলাইনে আলোচনার মূলে ছিল চুল কেটে দেওয়ার পর রবীন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন ও লক্ষ্মীপুরে আলিয়া মাদরাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তারের ঘটনাটি।
এ নিয়ে সরগরম নেট মাধ্যম। একই শাসনে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে অভিযুক্ত করা হলেও এ ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষক- কোথাও কোথাও আলোচনায় মুখ্য হয়ে উঠেছে এ বিষয়টি। যুক্তি হিসেবে পেশ করতে দেখা গেছে, রবীন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও মাদরাসা শিক্ষকের ক্ষেত্রে বিষয়টি থানা পুলিশ থেকে গ্রেপ্তার পর্যন্ত গড়িয়েছে।
কেউ কেউ আবার আলোচনায় তুলেছেন, শিক্ষার্থীদের আদর্শিক ও নৈতিক অবস্থানের দিকটি নিয়ে। তাদের ভাষায়, ‘একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে শুধু শেখাবেন না, নৈতিক ও আদর্শিক দিকগুলোতেও গুরুত্ব দেবেন। তাই এ জাতীয় ঘটনাকে অনভিপ্রেত হিসেবেই উল্লেখ করতে দেখা গেছে।
‘সহমর্মিতার সাথে শাসন সুফল বয়ে আনে’
শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রদের প্রতি শিক্ষকের শাসন এবং পরবর্তীতে অপ্রীতিকর ঘটনাকে আসলে কিভাবে দেখছেন দেশের শিক্ষাবিদরা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা অবশ্যই সহনশীল ও সহমর্মিতা বজায় রেখে শাসন করবেন। শাসনের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য থাকবে ছাত্রকে সংশোধন করা। তাহলেই সুফল পাওয়া যাবে। তাকে বিদ্রোহী করে তোলা যাবে না। তার উপর ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করা যাবে না’।
বর্তমানে যারা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত; দীর্ঘ একটা সময় তারা ছাত্র হিসেবে কাটিয়েছেন। আগেকার ও বর্তমান সময়ের ছাত্রদের মাঝে নৈতিক ও আদর্শিক বিষয়গুলোতে কোন পার্থক্য উপলব্ধি করেন কিনা এমন প্রশ্নে ড.মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী বলেন, ‘শিক্ষাজীবনের এই কাল বা সেই কাল বলে আসলে তেমন কিছু নেই। সব যুগেই কিছু ভালো ও কিছু আচরণে উশৃংখল শিà¦