বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিউইয়র্কের আইনসভায় ইতিহাস গড়লেন হিজাবি নারী আবের কাওয়াস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন আব্দুল আল-সাইয়েদ মাওলানা মনির হোসেন কাসেমী ডেঙ্গু আক্রান্ত, দোয়া কামনা ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়ল ৩ হাজার ৩২৪ টাকা প্রায় ২০০ বছর আগে চুরি হয়ে গিয়েছিল মসজিদুল হারামের দুষ্প্রাপ্য ৮টি পাথর ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো: মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পালটাপালটি ধাওয়া বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে আজও চলছে শ্রমিক বিক্ষোভ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া যেভাবে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না

তুরস্কে প্রতিবছরই বাড়ছে কোরআনের হাফেজা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কে প্রতিবছরই বাড়ছে কোরআনের হাফেজা নারীর সংখ্যা। মাত্র ১৯ বছরে ১৫ জন থেকে ১৫ হাজারে পৌঁছেছে নারী কোরআন মুখস্থকারীর সংখ্যা।

আল জাজিরা নেটের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে তুরস্কে ১৬৭৭টি কোরআন হেফজের মাদরাসা ছিল। এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ হাজার ৬৭৫ এ দাঁড়িয়েছে। তুরস্কের ধর্ম বিভাগের তথ্য মতে, প্রতি বছর এসব মাদরাসায় ১৫ হাজারের বেশি হাফেজ কোরআন পাঠ সম্পন্ন করে।

তুরস্কে গত দুই দশকে মেয়েদের কোরআন শেখাতে অনেক মাদরাসা তৈরি হয়। পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়ার বাসনায় মেয়েরা তাতে আবাসিক থাকেন। নিজের ঘর-বাড়ি ও আত্মীয়দের ছেড়ে মাদরাসায় আবাসিক থাকা কষ্টকর হলেও তা জীবনের বড় লক্ষ্য পূরণে সহায়ক।

তুরস্কে মেয়েদের কোরআন হেফজ নিয়ে ফরাসি দৈনিক লে মন্ডে পত্রিকায় একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়।

কোরআন শেখা তুর্কি মেয়েদের জীবন যাত্রা নিয়ে ‘হাফিজ : দ্য গার্ডিয়ান অব কুরান’ শিরোনামে তুরস্কের ফটো সাংবাদিক সাবিহা সাইমন একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন। তা ২০২০ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো পুরস্কার লাভ করে। মূলত তাঁর অধিকাংশ ফটোগ্রাফি মেয়েদের কোরআন হেফজের আবাসিক মাদরাসা নিয়ে হওয়ায় তা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলে।

পবিত্র কোরআনের হাফেজ তথা পুরো মুখস্ত করতে সাধারণত তিন বা চার বছর সময় লাগে। অবশ্য অনেক মেধাবী ছেলে-মেয়েরা আরো কম সময়ে হেফজ সম্পন্ন করে। সাধারণত ৭-১৩ বছর বয়সের মধ্যে ছেলে-মেয়েরা পবিত্র কোরআন হেফজ শেষ হয়। প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাঁদেরকে পড়াশোনা করতে হয়।

তুরস্কে গত ২০ বছর যাবত প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের পৃষ্ঠপোষকতায় নারীদের হেফজ মাদরাসা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জানা যায়, মূলত ‘আদর্শ ও নিষ্ঠাবান প্রজম্ম’ তৈরির বাসনা থেকে এরদোয়ান এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দীর্ঘকাল যাবত এরদোয়ান মুসলিম সংস্কৃতির প্রচার-প্রসারে কাজ করছেন। ইসলাম শিক্ষা প্রসার করে আদর্শ নাগরিক গড়ে তুলতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। যার সুফল বর্তমানে দৃশ্যমান। সূত্র : আল জাজিরা নেট

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ